শেষ হল না জীবনের শেষ শ্যুটিংটা। গোয়ায় শ্যুটিংয়ের কাজে গিয়ে, প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর (Nana Patekar)। জানা যাচ্ছে, গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভোরবেলা গোয়ার বাসভবন থেকে তাঁর অচৈতন্য দেহ উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানানো হয়, হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার।

শেষ হল না জীবনের শেষ শ্যুটিংটা। গোয়ায় শ্যুটিংয়ের কাজে গিয়ে, প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর (Nana Patekar)। জানা যাচ্ছে, গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভোরবেলা গোয়ার বাসভবন থেকে তাঁর অচৈতন্য দেহ উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানানো হয়, হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার।

তাঁর জন্ম হয়েছিল ভীষণ সাধারণ একটি পরিবারে। সিনেমার সঙ্গে রুপোলি পর্দার কোনও যোগাযোগ ছিল না কোনোদিন। ভালবাসা নয়, অর্থ উপার্জনই সেই সময়েই গুরুত্ব পেয়েছিল, বিশ্বনাথ পাটেকরের (Vishwanath Patekar) কাছে। পরবর্তীতে যিনি নানা পাটেকর (Nana Patekar) নামে গোটা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছিলেন, সেই কিংবদন্তি অভিনেতার আসল নাম ছিল এটাই। বিশ্বনাথ পাটেকর।

তাঁর জন্ম হয়েছিল ভীষণ সাধারণ একটি পরিবারে। সিনেমার সঙ্গে রুপোলি পর্দার কোনও যোগাযোগ ছিল না কোনোদিন। ভালবাসা নয়, অর্থ উপার্জনই সেই সময়েই গুরুত্ব পেয়েছিল, বিশ্বনাথ পাটেকরের (Vishwanath Patekar) কাছে। পরবর্তীতে যিনি নানা পাটেকর (Nana Patekar) নামে গোটা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছিলেন, সেই কিংবদন্তি অভিনেতার আসল নাম ছিল এটাই। বিশ্বনাথ পাটেকর।

মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার মুরুদ-জাঞ্জিরায় খুব সাধারণ একটি মারাঠি পরিবারে জন্ম হয়েছিল তাঁর।

মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার মুরুদ-জাঞ্জিরায় খুব সাধারণ একটি মারাঠি পরিবারে জন্ম হয়েছিল তাঁর।

চরম দারিদ্রে কেটেছে তাঁর শৈশব। যে সময়ে তাঁর পড়াশোনা করার বয়স, সেই সময়েই তাঁকে আর্থিক উপার্জন নিয়ে ভাবতে হত! মাত্র ১৩ বছর বয়সে, পড়াশোনার পাশাপাশি সিনেমার পোস্টার আঁকা শুরু করেছিলেন নানা পাটেকর। সেভাবেই প্রথম উপার্জন শুরু।

চরম দারিদ্রে কেটেছে তাঁর শৈশব। যে সময়ে তাঁর পড়াশোনা করার বয়স, সেই সময়েই তাঁকে আর্থিক উপার্জন নিয়ে ভাবতে হত! মাত্র ১৩ বছর বয়সে, পড়াশোনার পাশাপাশি সিনেমার পোস্টার আঁকা শুরু করেছিলেন নানা পাটেকর। সেভাবেই প্রথম উপার্জন শুরু।

পরবর্তীতে মুম্বইয়ের বিখ্যাত জে জে আর্ট ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। এরপরেই পা রাখেন রুপোলি পর্দায়। ১৯৭৮-এ মুজফফর আলির 'গমন' ছবির হাত ধরে, অভিনয় জীবনে পা রেখেছিলেন নানা পাটেকর।

পরবর্তীতে মুম্বইয়ের বিখ্যাত জে জে আর্ট ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। এরপরেই পা রাখেন রুপোলি পর্দায়। ১৯৭৮-এ মুজফফর আলির ‘গমন’ ছবির হাত ধরে, অভিনয় জীবনে পা রেখেছিলেন নানা পাটেকর।

'পারিন্দা', 'অগ্নিসাক্ষী', 'ক্রান্তিবীর' সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে তিনটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। 'অঙ্গার', 'পারিন্দা', 'ক্রান্তিবীর', 'অপহরণ' ছবিতে অভিনয় করে চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা।

‘পারিন্দা’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘ক্রান্তিবীর’ সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে তিনটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। ‘অঙ্গার’, ‘পারিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অপহরণ’ ছবিতে অভিনয় করে চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা।

নানা পাটেকরের পরিচালনায় মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত 'প্রহার' দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। 'খামোশি দ্য মিউজিক্যাল'-এ তাঁর অভিনয় চিরস্মণীয় হয়ে থাকবে। ২০১৩-য় পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয় নানা পাটেকরকে।

নানা পাটেকরের পরিচালনায় মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত ‘প্রহার’ দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ‘খামোশি দ্য মিউজিক্যাল’-এ তাঁর অভিনয় চিরস্মণীয় হয়ে থাকবে। ২০১৩-য় পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয় নানা পাটেকরকে।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যৌথভাবে নানা পাটেকর ‘নাম ফাউন্ডেশন’ (NAAM Foundation) প্রতিষ্ঠা করেন। মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া ও বিদর্ভ অঞ্চলে তীব্র খরা, পানীয় জলের সংকট এবং কৃষক আত্মহত্যার মতো যে সমস্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটত, সেগুলি প্রতিরোধ করতে এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খুলেছিলেন নানা পাটেকর।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যৌথভাবে নানা পাটেকর ‘নাম ফাউন্ডেশন’ (NAAM Foundation) প্রতিষ্ঠা করেন। মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া ও বিদর্ভ অঞ্চলে তীব্র খরা, পানীয় জলের সংকট এবং কৃষক আত্মহত্যার মতো যে সমস্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটত, সেগুলি প্রতিরোধ করতে এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খুলেছিলেন নানা পাটেকর।

নানা পাটেকর যখন দেখেছিলেন, মারাঠওয়াড়া ও বিদর্ভ অঞ্চলের বহু কৃষক পরিবার চরম অভাব ও মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের তরফ থেকে তাঁরা কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না, তখন নিজেদের উদ্যোগে সেই কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন নানা পাটেকর এবং তাঁর বন্ধু।

নানা পাটেকর যখন দেখেছিলেন, মারাঠওয়াড়া ও বিদর্ভ অঞ্চলের বহু কৃষক পরিবার চরম অভাব ও মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের তরফ থেকে তাঁরা কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না, তখন নিজেদের উদ্যোগে সেই কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন নানা পাটেকর এবং তাঁর বন্ধু।

এর পাশাপাশি ওই পরিবারগুলির মধ্যে কম্বল, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও পোশাক বিতরণ করা হয়েছিল। এই প্রাথমিক সহায়তার পর ‘নাম ফাউন্ডেশন’ নদী সংস্কার, খাল খনন, চেক ড্যাম তৈরি এবং গ্রাম দত্তক নেওয়ার মতো বড় মাপের জল সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে নিয়েছিল এবং সেগুলি শেষও করেছিল, যা আজ হাজার হাজার কৃষকের জীবন বদলে দিয়েছে।

এর পাশাপাশি ওই পরিবারগুলির মধ্যে কম্বল, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও পোশাক বিতরণ করা হয়েছিল। এই প্রাথমিক সহায়তার পর ‘নাম ফাউন্ডেশন’ নদী সংস্কার, খাল খনন, চেক ড্যাম তৈরি এবং গ্রাম দত্তক নেওয়ার মতো বড় মাপের জল সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে নিয়েছিল এবং সেগুলি শেষও করেছিল, যা আজ হাজার হাজার কৃষকের জীবন বদলে দিয়েছে।

Published at : 08 Oct 2026 04:35 PM (IST)

আরও জানুন বিনোদনের



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *