অমিত জানা, পশ্চিম মেদিনীপুর : পুজোর শুরুতেই ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। আহত হয়েছেন ৮ জন। তিনটি বাস-সহ পাঁচটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়েছে। জানা গিয়েছে, নারায়ণগড়ের জাতীয় সড়কের ধারে একটি হোটেলে একাধিক বাস দাঁড়িয়েছিল। সেই সময় খড়্গপুরের দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটি লরি সজোরে ধাক্কা মারে বাসগুলিতে। এর জেরে একাধিক বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর একটি কন্টেনারেও ধাক্কা মারে লরিটি। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় দীঘা থেকে দুর্গাপুরের দিকে যাওয়া একটি সরকারি বাস ওই হোটেলে দাঁড়িয়েছিল। সেই বাসে সজোরে ধাক্কা মারে লরিটি। এই দুর্ঘটনার জেরে সরকারি বাসের কন্ডাক্টরের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।
এছাড়াও, ঘাটাল থেকে ওড়িশার দিকে যাওয়ার জন্য একটি বাস রাস্তার পাশের ওই হোটেলের সামনে দাঁড়িয়েছিল। সেই বাসটিকেও সজোরে ধাক্কা মারে লরিটি। প্রচণ্ড জোরে ধাক্কার জেরে বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নারায়ণগড় থানার পুলিশ ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়কে যে যানজট তৈরি হয়েছিল, তাদের উদ্যোগে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। এই ঘটনায় ঘাতক লরির খালাসিকে আটক করেছে নারায়ণগড় থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। লরির ধাক্কায় মৃত্য়ু হল সরকারি বাসের কন্ডাক্টরের। আহত হলেন ৮ জন যাত্রী। স্থানীয় সূত্রে দাবি, নারায়ণগড়ের জাতীয় সড়কের ধারে একটি হোটেলে ৩টি বাস দাঁড়িয়েছিল। সেই সময় খড়্গপুরের দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি সজোরে ধাক্কা মারে একাধিক বাসে। মৃত্য়ু হয় সরকারি বাসের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা কন্ডাক্টরের। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নারায়ণগড় থানার পুলিশ।