অনির্বাণ বিশ্বাস, অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: পুরভোটে জিতবে কারা? মেয়র হবে কাদের? এই নিয়ে যখন তুঙ্গে চাপানউতোর, তখন কুণাল ঘোষ দাবি করলেন, পুরভোটে মেয়র হবে কালীঘাট তৃণমূলের। অন্যদিকে ঋতব্রত তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, তারাও ২০৯ ওয়ার্ডে প্রার্থী দেবে।
কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের ৮ পুরসভার ভোট হতে পারে নভেম্বরে। কিন্তু পুরভোটে কি জোট বাঁধবে NCPI ও বিজেপি? নাকি তারা একাই লড়বে? কী করবে ‘ঋতব্রত তৃণমূল’? কোন প্রতীকে লড়বে ‘কালীঘাট তৃণমূল’? এসব নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি! তবে চাপানউতোরের আবহেই যে যার মতো জয়ের হুঙ্কার ছাড়ছে। (‘কালীঘাট-তৃণমূল’) বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, পুরভোটে মেয়র হবে কালীঘাট তৃণমূলের। তারা প্রমাণ করে দেবেন পরিবর্তনের বিজেপি সরকার মানুষকে হতাশ করেছে, কালীঘাট তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং তারা অনেক আসনে জিতবেন।’
(‘ঋতব্রত-তৃণমূল’) মুখপাত্র ঋজু দত্ত বলেন, ২০৯ আসনেই প্রার্থী দেবে। সব জিতবে।’ জোরকদমে পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপিও। কলকাতা পুরসভার ভোটের জন্য় যে কমিটি তৈরি হয়েছে, সেখানে ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপি সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে।আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়কে। তাঁরা অবশ্য কোনও জোট নিয়ে আগ্রহী নন। বরং একা লড়েই জেতার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। শিল্পমন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় বলেন, ‘কলকাতা হাওড়া সর্বত্রই শাসকদলের জয় জয়কার হবে’, তৃণমূলকে চূড়ান্ত কটাক্ষ বিজেপি নেতার। জল্পনা, হুঙ্কার, ভবিষ্যদ্বাণী চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী হবে? মেয়রের চেয়ারে বসবেন কারা? উত্তর মিলবে কয়েক মাস পরে।