কলকাতা: শুরু হয়ে গিয়েছে দেবীপক্ষ। আজ তৃতীয়া, ষষ্ঠীতে ঊমার বোধন। শহর জুড়ে উৎসবের আমেজ। বাঙালির বিশ্বাস, ঘরের মেয়ে ঘরে আসে এই সময়ে। কারও কাছে তিনি মা, কারও কাছে মেয়ে। আর তৃতীয়ার দিনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোটবেলার একটি অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে নিলেন, অভিনেতা ভাস্কর চট্টোপাধ্যায় (Bhaswar Chatterjee)। একবার সন্ধিপুজোর সময়ে একটা অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাঁর। সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন তিনি। কী লিখলেন?

ছোটবেলার অবাক করা এক অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্কর লিখেছেন, ‘শুনলাম এবার সন্ধিপুজো অনেক সকালে পড়েছে। যতদূর সম্ভব, সকাল সাতটায়। শোনার পরেই একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল আমার। সেবারও সন্ধিপুজো ছিল সকালে। রাত থাকতে বাড়ির সকলে উঠে কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন। আমার তখন ক্লাস সিক্স বা সেভেন। কিন্তু তাই বলে ছাড় নেই! আমাকেও কিছু কাজের ভার দেওয়া হয়েছিল। সকলের মতো আমিও স্নান সেরে, মন্দিরে এসেছি। সঙ্গে বাবা রয়েছেন। বাকিরা সবাই ভিতরে কাজে ব্যস্ত। সেবার পুজো অক্টোবরের অনেক দেরিতে পড়েছিল। বাইরে তখনও আলো ফোটেনি। হঠাৎ সদর দরজা দিয়ে দেখলাম, তিনজন মহিলা এলেন। খালি গায়ে আটপৌরে করে শাড়ি পরা, মাথায় সিঁদুর। একজনের হাতে ঘটি, একজনের হাতে ফুল, আরেকজনের হাতে, গোবর। ওঁরা এলেন, আমার বা বাবার কারও দিতেই তাকালেন না। মন্দিরে ওঠার সিঁড়িতে গোরব নিকিয়ে, জল ঢেলে, ফুল ছড়িয়ে দিলেন। তারপরে ৩ জন বেরিয়ে গেলেন। সদর দরজা পেরোতেই বাবা আমায় বললেন, ‘দেখ ওঁরা অন্ধকারে যেতে পারছেন কি না.. নাহলে টর্চ দেখাবি।’ সঙ্গে সঙ্গে আমি গেলাম টর্চ নিয়ে। কয়েক সেকেন্ড পার হয়েছে এর মধ্যে। মন্দির থেকে বাইরের গেট অনেকটা দূর, অনেকটা হেঁটে যেতে হয়।  আমি গিয়ে দেখলাম, কেউ কোথাও নেই। আমি বাবাকে ডাকলাম, বললাম, কোথাও দেখতে পাচ্ছি না ওই ৩জন মহিলাকে। আমার মতো হতবাক হয়ে গেলেন বাবাও। কারা সেদিন এসেছিলেন, কোথায়ই বা মিলিয়ে গেলেন.. এর কোনও ব্যাখ্যা পাইনি। সেই ঘটনার সাক্ষী ছিলাম কেবল আমি আর বাবা ২ জনেই। এই ঘটনা এখনও আমায় ভাবায়।’

 

আরও পড়ুন: Big Boss Bangla: দুর্নিবারের ছবি দিয়ে ‘তৃতীয়ার শুভেচ্ছা’ লিখলেন ‘বং গাই’ কিরণ! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পোস্ট

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *