কলকাতা : অন্নপূর্ণা যোজনায় এবারের কিস্তির টাকা ঢোকা শেষ হয়েছে গতকাল। কিন্তু, গতকালের মধ্যে যোগ্য কেউ টাকা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকলে কীভাবে তার সমাধান করা হবে তা নিয়েই আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পাশাপাশি পরের মাসের কিস্তির টাকা ঢোকা সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাও করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গত মঙ্গলবার মহাজাতি সদনের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “মা অন্নপূর্ণা যোজনার নামে যে স্কিম তৈরি হয়েছে, প্রত্যেক মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহে আপনাদের কারো কাছে যেতে হবে না, ১০ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে প্রত্যেক মাসে আপনাদের অ্যাকাউন্টে টাকা এসে যাবে। কোনও টেকনিক্যাল সমস্যা থাকলে আপনারা স্থানীয় মহিলা মোর্চার নেতৃত্বর সহযোগিতা নেবেন।”

অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পাওয়ার মাপকাঠিতে যোগ্য হলে কোনও মহিলা বঞ্চিত হবেন না বলে বারবার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত মঙ্গলবারও এনিয়ে বারবার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, যোগ্য হওয়ার পরেও কেউ টাকা না পেলে তাঁদের সমস্যার সমাধানের পথও বাতলে দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আমাদের মহিলা মোর্চার কর্মীরা প্রত্যেক মা-বোন-দিদির কাছে গিয়ে…আপনারা ১০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত আবেদনকারীদের মধ্যে যদি উপযুক্ত কেউ বঞ্চিত হন, নতুন ফর্ম ফিলআপ করতে হবে না, শুধু ফর্মের নম্বর-অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে অভিযোগটা নথিভুক্ত করবেন।”

১৭ থেকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনায় এবারের কিস্তির টাকা ঢুকেছে। অর্থাৎ গতকালের মধ্যে যোগ্য প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গেছে। তারপরেও কেউ কেউ বাদ থাকলে তাঁদেরও পাওয়ার সুযোগ আছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, “২০ তারিখ থেকে একটি পোর্টাল চালু করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেই পোর্টালে… যদি মনে করেন যে, অনুপযুক্ত কেউ এই অর্থ পেয়েছেন, আপত্তি দিতে পারেন।” তাঁর সংযোজন ছিল, “আর আবেদন করেছেন…আপনি উপযুক্ত, কিন্তু আপনার অ্যাকাউন্টে ২০ তারিখের মধ্যে অর্থ ঢোকেনি, তাহলে আপনি সেখানে আপনার আপত্তিও দিতে পারেন। আমরা সেটার নিষ্পত্তি করতে থাকব। আমাদের দফতর করতে থাকবে।”

ধনধান্য অডিটোরিয়ামের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “প্রথম জুন মাসে আমরা ২৮ লক্ষ দিয়েছি। বহু মহিলাই পাননি । সংখ্যা কম ছিল। জুলাই মাসে আমরা ১ কোটি ১৯ লক্ষ দিয়েছি। তাতেও অনেকে বাদ চলে গিয়েছিলেন। বা, অনেকে নিয়ম-কানুনের মধ্যে আটকে গেছিলেন। এবং, অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল ছিল। আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক ছিল না। তাই এবারে আমরা অনেকটা ত্রুটিমুক্ত হয়ে, আধার-ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক-সহ আমরা বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাতে আইন বা নিয়ম অনেক শিথিল করে দিয়েছি। যাতে অধিকাংশ মহিলাকে আমরা দিতে পারি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *