নয়াদিল্লি : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করার জন্য “নিজেদের দেশবাসীর বিরুদ্ধেই যুদ্ধ” ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ এমনই অভিযোগ তুলে সরব হলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারী ও বিরোধী নেতাদের ওপর পুলিশের নেওয়া পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বোরা, স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার নেত্রী ঐশী ঘোষ এবং অভিনেতা প্রকাশ রাজকে সঙ্গে নিয়ে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন দীপকে। তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের সমালোচনা করেন। ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আদালতের নির্দেশে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে পাঠানোর একদিন পর এই মর্মে মন্তব্য করেন CJ-র প্রতিষ্ঠাতা।

সাংবাদিক বৈঠকে অভিজিৎ বলেন, “আপনারা এমনকী তিরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করাকেও আইন লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। কার জন্য ? জ্ঞানেশ কুমারের জন্য ? জ্ঞানেশ কুমার নরেন্দ্র মোদিকে কী দিচ্ছেন ? আপনারা দিল্লিকে অচল করে দিয়েছেন, রেল পরিষেবা বন্ধ করেছেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করেছেন এবং দিল্লিকে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের মতো একটি সীমান্তে পরিণত করেছেন। আপনারা সমস্ত বাহিনীকে দিল্লিতে তলব করেছেন। ছাত্র সংগঠনগুলিকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, বিরোধী দলগুলিকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এমনকী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদেরও রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এইসব কি কেবল একজন জ্ঞানেশ কুমারের জন্য ? নরেন্দ্র মোদির কাছে জ্ঞানেশ কুমার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ? আমরা কেন এটা বিশ্বাস করব না যে, জ্ঞানেশ কুমার নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনে জিততে সাহায্য করছেন ? যদি তিনি তাঁকে নির্বাচনে জিততে সাহায্য না-ই করবেন, তবে নরেন্দ্র মোদি কেন তাঁকে এত সুরক্ষা দিচ্ছেন ?”

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *