কলকাতা : যোগ্য হয়েও পাননি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ? অ্যাকাউন্টে ঢুকছে না টাকা ? চিন্তা নেই। সমস্যার সমাধানের জন্য আপনার কাছে পৌঁছে যাবেন বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মীরা। শুধু তা-ই নয়, এর পাশাপাশি আর একটা প্রশ্নও অনেকের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে যে, এক্ষেত্রে কি নতুন করে ফর্ম ফিলআপ করতে হবে ? এ বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “মহিলা মোর্চার দায়িত্ব, উপযুক্ত মহিলা যদি বাদ চলে যায়… আমাদের মহিলা মোর্চার কর্মীরা প্রত্যেক মা-বোন-দিদির কাছে গিয়ে…আপনারা ১০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত আবেদনকারীদের মধ্যে যদি উপযুক্ত কেউ বঞ্চিত হন, নতুন ফর্ম ফিলআপ করতে হবে না, শুধু ফর্মের নম্বর-অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে অভিযোগটা নথিভুক্ত করবেন।” Annapurna Yojana 

গ্রামীণ এলাকায় ‘নিয়ম শিথিল’

মঙ্গলবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রথম জুন মাসে আমরা ২৮ লক্ষ দিয়েছি। বহু মহিলাই পাননি । সংখ্যা কম ছিল। জুলাই মাসে আমরা ১ কোটি ১৯ লক্ষ দিয়েছি। তাতেও অনেকে বাদ চলে গিয়েছিলেন। বা, অনেকে নিয়ম-কানুনের মধ্যে আটকে গেছিলেন। এবং, অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল ছিল। আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লিঙ্ক ছিল না। তাই এবারে আমরা অনেকটা ত্রুটিমুক্ত হয়ে, আধার-ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক-সহ আমরা বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকাতে আইন বা নিয়ম অনেক শিথিল করে দিয়েছি। যাতে অধিকাংশ মহিলাকে আমরা দিতে পারি। সেই কারণে এবারে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা উপযুক্ত বিবেচিত হয়েছেন।”

এ বিষয়ে আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?  

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, “যারা মনে করেন অনুপযুক্ত লোকে অর্থ পেয়েছেন, বা যারা মনে করেন উপযুক্ত মহিলা বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ২০ তারিখ থেকে একটি পোর্টাল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিশু ও নারীকল্যাণ দফতর খুলবে। যেখানে আপনি আবেদন ও অভিযোগ দুই-ই করতে পারবেন। ১ জুন থেকে যারা ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করেছিলেন, তাঁদেরই শুধুমাত্র ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যারা আবেদন করেছেন, যদিও সংখ্যা অনেক কম, কারণ মোট এক কোটি ৮০ লক্ষ আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১০ জুলাই পর্যন্ত ১ কোটি ৬৬ লক্ষ মহিলা আবেদন করেছিলেন। রাজ্য সরকার তাঁদের মধ্যে এক কোটি ৪৫ লক্ষকে অনুমোদন দিয়েছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *