কলকাতা: পুজোর দিনে বিভীষিকা নেমে এল শহরে। চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু অনেকের। গোটা ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চরম অব্যবস্থার অভিযোগ উঠছে। সেই আবহেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূলের তরফে চোরবাগানের পুজো নিয়ে একজনের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। (Chorbagan Stampede)

চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে মমতা-তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়, ‘চোরবাগান পুজো প্যান্ডেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কে জড়িত বলুন তো! শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র এক বিধায়ক চোরবাগান পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। পুজো কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক দেবদীপ অধিকারী। এত মানুষের মৃত্যুর দায় কার। নির্লজ্জ মুখ্যমন্ত্রী কবে পদত্যাগ করবেন’? (Chorbagan Stampede Death)

আরও পড়ুন: ‘ওলা-উবরে বডি নিয়ে যাচ্ছি আমরা, নেই পুলিশ-অ্যাম্বুল্যান্স’, চোরবাগান পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কা, অব্যবস্থার অভিযোগ

এ নিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এধরনের কিছু জানা নেই আমার। শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো, সে নাবালক আছে বলেই আমি জানতাম। সাবালক হয়েছে কি না জানি না। আর সে তো থাকে কাঁথিতে? সে এখানে কোথা থেকে এল আমার জানা নেই। আর এটা নিয়ে বিশ্বাস করুন…আমি মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। আমি কোনও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দিতে পারছি না।”

আরও পড়ুন: ‘৪০-৪৫ মিনিট ধরে চাপা পড়ে বান্ধবী, টেনে বের করা যাচ্ছিল না, কেউ সাহায্য় করতে আসেনি’, চোরবাগানে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা যুবকের

শনিবারের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বৃষ্টির মধ্যে একদল প্যান্ডেল থেকে বেরনোর আগেই ভিতরে ঢুকতে যান অনেকে। সেই আবহে ঠেলাঠেলি, হুড়োহুড়ি শুরু হয়। একে অপরের গায়ে পড়তে থাকেন মানুষজন। অনেকে চাপা পড়েন। শ্বাস নিতে পারছিলেন না। ওই সব মানুষকে উদ্ধার করতে পুলিশ, দমকল বা অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুই পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। প্রাইভেট গাড়ি, অ্যাপ ক্যাবে দেহ তুলতে হয় বলেও জানিয়েছেন কেউ কেউ। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *