কলকাতা: অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত ‘অর্ণব’। আগামিকাল-ই অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাটলা উপকূল এবং বিশাখাপত্তনমের মাঝামাঝি ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর ল্যান্ডফলের সম্ভাবনা। ল্য়ান্ডফলের সময় ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ১২৫-১৩৫ কিমি। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামিকাল ও পরশু রাজ্য়ের উপকূল এলাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। কী করবেন, কী করবেন না, ঘূর্ণিঝড়ের আগে শেষমুহূর্তের সতর্কতা IMD-র।
আরও পড়ুন, কুণাল ঘোষের বাড়িতে পুলিশ, “..জবাব না দিলে গ্রেফতার করা হবে”
VERY SEVERE CYCLONIC STORM “ARNAB” ⚠️ A Very Severe Cyclonic Storm, “Arnab,” is approaching, posing a threat to coastal Andhra Pradesh and South Odisha. 🌪️ Stay Alert, Stay Safe! ✅ Stay indoors and avoid unnecessary travel. ✅ Keep emergency kits, essential medicines, food, and drinking water ready. ✅ Follow official weather warnings and safety advisories. ✅ Stay tuned to the India Meteorological Department (IMD) for the latest updates. 📢 Follow IMD’s official channels for timely weather information. 🏠 Stay Alert, Stay Safe! #CycloneArnab #VerySevereCyclonicStorm #RedAlert #IMD #CycloneAlert #AndhraPradesh #Odisha #WeatherUpdate #CycloneSafety #StayAlertStaySafe @moesgoi @airnewsalerts @DDNational @ndmaindia
— India Meteorological Department (@Indiametdept) October 27, 2026
আইএমডির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই সময় কোনও ঝুঁকি নেওয়া উচিত হবে না। নিরাপদ আশ্রয় বা ঘরের ভিতরেই থাকা উচিত।
১) প্রয়োজন ছাড়া কোনওভাবেই যেনও কেউ বাইরে না থাকে।
২) প্রয়োজনীয় সমস্ত কিছু কাছে রাখতে বলা হয়েছে।
৩) জরুরি ওষুধ সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।
৪) সঙ্গে খাবার এবং পানীয় জলও সঙ্গে রাখা হয়।
৫) অবশ্যই যেনও ওয়েদার অফিসের সতর্কতা মেনে চলা হয় ও আবহাওয়ার যাবতীয় আপডেট লক্ষ্য রাখা হয়।
ঘূর্ণিঝড়ের অশনি সংকেতের জেরে ত্রস্ত সৈকত শহর। ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর মোকাবিলায় চরমে ব্য়স্ততা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাটলা উপকূল এবং বিশাখাপত্তনমের মাঝামাঝি ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর ল্যান্ডফলের সম্ভাবনা। ওই সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১২৫-১৩৫ কিমি। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতি থাকতে পারে ১৫০ কিমি পর্যন্ত। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল এবং দক্ষিণ ওড়িশায় প্রভাব সবচেযে বেশি।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে রাজ্য়েও।বুধবার থেকে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট থাকবে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উপকূল এলাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে একাধিক রাজ্য়ে বৃষ্টি শুরু। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। কখনও ভারী বৃষ্টি, কখনও আবার মুষলধারে বৃষ্টি।
ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশে একাধিক স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট।দুর্যোগ মোকাবিলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন উপকূল থানার পক্ষ থেকে সতর্কপ্রচার করা হয়। পাশাপাশি জেলা শাসক অভিষেক তিওয়ারির নেতৃত্বে একটি বৈঠক হয়। যে বৈঠকে সামিল ছিলেন জেলার মহকুমা শাসক ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকেরা।মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে একাধিক ট্রেন।