কলকাতা : ৮ অক্টোবর। বৃহস্পতিবার। বিনোদন দুনিয়ার ঘুম ভাঙে খারাপ খবরে।  অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই । আগের রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। সকালে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ নানাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। নিয়মমাফিক হাসপাতালে অটোপসি করা হয় অভিনেতার দেহের। কী রয়েছে সেই রিপোর্টে। ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্ট অনুসারে, এক চিকিৎসক জানিয়েছেন , নানার অটোপসি রিপোর্টে ঠিক কী কী সামনে এসেছে। 

সেদিন অভিনেতা নানা পাটেকারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল গোয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ।  সেখান থেকে বিমানে পুণে পাঠানো হয়। এরপর সেখান থেকে দোনজে গ্রামে তাঁর  ফার্ম হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। সেদিন নানার দেহের ময়নাতদন্ত করে কী জানা গিয়েছে  ? হাসপাতালের এক বর্ষীয়ান চিকিৎসক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তে দেখা গিয়েছে, নানা পাটেকরের  মূল করোনারি ধমনীতে রক্ত ​​জমাট বেঁধে তা সম্পূর্ণভাবে ব্লক হয়ে যায়। তার ফলেই নানা পাটেকর হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এটাই উল্লেখ করা হয়েছে, দেহের ময়নাতদন্তের রুপোর্টে।  মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তীব্র মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন। এটি স্বাভাবিক মৃত্যুই। চিকিৎসকরা আগেই জানিয়েছিলেন, সেদিন নানা পাটেকরকে ভোর ৪.৩০টে নাগাদ হাসপাতালে আনা হয়। ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকরা  ৫.৩০ নাগাদ তাঁকে মৃত ঘোষণা করি। চিকিৎসকরা জানান, সাধ্যমতো চেষ্টা করা হয়েছে । তাঁকে৪৫ মিনিট ধরে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন বা CPR দেওয়া হয়। কিন্তু  তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।                              

সেদিন , রাত ২.৩০টে নাগাদই অসুস্থ বোধ করেন নানা পাটেকর। তিনি এক বন্ধুকে ফোনও করেন। শরীর খারাপ লাগছে বলে মেসেজ করেন। কিন্তু রাত হয়ে যাওয়ায় ওই বন্ধু তা তা দেখেননি। ভোরে নানার বাড়িতে পৌঁছে প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় দেখেন।

১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি তখনকার বম্বেতে জন্মগ্রহণ করেন নানা পাটেকর। আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর। চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনয় শুরুর আগে মুম্বইয়ের জেজে স্কুল অফ আর্ট-এ পড়াশোনা করেন। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমা দিয়ে নানার অভিনয়জীবনের শুরু। মূলত হিন্দি এবং মারাঠী সিনেমায় কাজ করেছেন। কাজ করেছেন তামিল ছবিতেও। ২০১৩ সালে নানাকে দেওয়া হয় পদ্মশ্রী সম্মান।

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *