<p><strong>কলকাতা: </strong>কী কারণে চোরবাগান সর্বজনীনে এতবড় বিপর্যয় ঘটল? কার বা কাদের গাফিলতিতে ঠাকুর দেখতে এসে প্রাণ গেল ১৯ জন নিরীহ সহ-নাগরিকের? দায়ী কে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করল রাজ্য সরকার গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল। এদিন SIT চেয়ারপার্সন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। </p>
<p>চলে গেল ১৯টা প্রাণ! শেষ বহু পরিবার! যা কখনও হয়নি, এবার কী করে হল? কী কারণে? কাদের দায়? উদ্য়োক্তাদের? পুলিশের? কলকাতা পুরসভার? দমকলের? CESC-র? সব এজেন্সির? ভলান্টিয়াদের? কার খামতি?<br />কাদের খামতি? কাদের গাফলতি? কোথায় ব্য়র্থতা? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বৃহস্পতিবার তদন্ত শুরু করল রাজ্য সরকার গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT। এই তদন্ত কমিটির মাথায় রয়েছেন, হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। </p>
<p>কাদের দায়? অর্থাৎ সার্বিকভাবে কীভাবে এমনটা হল? তা খতিয়ে দেখবে SIT! মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলছেন, ‘নতুন কমিটির প্রত্যেককে হেফাজতে নিয়ে যদি (তদন্ত) শুরু না হয়, তাহলে উপরে মাননীয়া অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি যতই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করুন, প্রতিটি পদক্ষেপে পুলিশ প্রশাসন এই প্রভাবশালীদের বাঁচাবার চেষ্টা করবে। গরিব কিছু পুলিশ, হোমগার্ড, সিভিক পুলিশ, তাঁদের ঘাড়ে পুলিশ রিপোর্ট দিয়ে দায় চাপিয়ে দেবে। ট্যাম্পার করা শুরু হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ আসছে। প্রাক্তন বিচারপতি শুধু পুলিশ রিপোর্টের উপর যেন তদন্ত না করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা, কথা বলা, দেখা করা, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেখা করা, আপনাকে করতে হবে।'</p>
<p>বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ‘অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এখানে তদন্ত চলছে। আমরা মনে করি এটি একটি দুর্ঘটনা। কিন্তু কোনও জায়গায় যদি কোনও বিচ্যুতি হয়ে থাকে, পুলিশের পক্ষে হয়ে থাকতে পারে, কর্তৃপক্ষের পক্ষে হয়ে থাকতে পারে, যারা অন্য নিরাপত্তা সংস্থা তাদের পক্ষে হয়ে থাকতে পারে, কেন? এতবড় একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল এরকম একটা ছোট পরিসরের মধ্যে সামান্য বৃষ্টি আসার পর, সেটা তো দেখছেন।’ এই ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশ। ঘটনার দিন গিরিশ পার্ক থানায় একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে পুলিশ। বর্তমানে সেই মামলার তদন্ত করছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। একাধিক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। </p>
Source link