অভিষেকের অফিসে ধুন্ধুমার

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে বিলবোর্ড ভাঙাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। অভিযোগ, অবৈধ বিলবোর্ড সরাতে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা সেখানে পৌঁছতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। অফিসে ঢোকার মুখে পুলিশকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে বচসা, ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বাড়ানো হয় পুলিশি নিরাপত্তা।

ক্যামাক স্ট্রিটে খণ্ডযুদ্ধ

অবৈধ বিলবোর্ডের অভিযোগ ঘিরে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। অভিযোগ, বৈধ নথি ছাড়াই বিজেপির কথায় পুলিশ-পুরসভাকে দিয়ে গুন্ডামি করা হচ্ছে। বিলবোর্ড ভাঙার চেষ্টা আটকানোর মরিয়া চেষ্টা করেন তৃণমূল কর্মীরা। গোটা ঘটনায় আইনি পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘সাংসদ না গুন্ডা?’

অভিষেকের অফিসের সামনে বিলবোর্ড ভাঙতে গিয়ে ফের উত্তেজনা। পুলিশ ও পুরকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পথ আটকে দাঁড়ানো এবং অফিসের সিঁড়িতে ধস্তাধস্তির অভিযোগও ওঠে। ঘটনায় ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তৃণমূলের কটাক্ষ, ‘সাংসদ না গুন্ডা?’

ভাঙল বিলবোর্ড, ঝুলল ব্যানার

বাধা সরিয়ে শেষ পর্যন্ত আধ ঘণ্টার মধ্যে বিলবোর্ড ভেঙে ফেলে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা। তবে ঘটনাটি সেখানেই শেষ হয়নি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা জবাব দেয় তৃণমূল। অভিষেকের অফিসের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং জোড়াফুলের প্রতীক দেওয়া নতুন ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ফলে বিলবোর্ড ঘিরে সংঘাত আরও রাজনৈতিক মাত্রা পায়।

নেপালে বিপর্যয়ে মৃত্যুমিছিল

প্রকৃতির রোষে বিপর্যস্ত নেপাল। ভয়াবহ দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই সাড়ে তিনশো ছাড়িয়েছে বলে খবর। নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২৯০ জন ভারতীয়ের খোঁজ মিলছে না। কৈলাস-মানস সরোবরে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গের ৩২ জনেরও এখনও কোনও সন্ধান নেই। স্বজনদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। নিখোঁজদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তৎপরতা।

গ্রাউন্ড জিরোয় এবিপি আনন্দ

হিমালয়ের দেশে ভয়াবহ বিপর্যয়ে কার্যত তছনছ একাধিক এলাকা। ছয়টি জেলা বিপর্যয়ের জেরে ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। চারদিকে শুধু ধ্বংসের চিহ্ন। রাস্তা, বাড়িঘর থেকে শুরু করে বিস্তীর্ণ এলাকা বিপর্যস্ত। তার মধ্যেই আফটার শকের আতঙ্ক নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রাউন্ড জিরো থেকে পরিস্থিতির ছবি তুলে ধরছে এবিপি আনন্দ।

হিমালয়ের দেশে হাহাকার

বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি সামনে আসছে নেপাল থেকে। ধেয়ে আসছে বিরাট ঢেউ, কাদার স্রোতের সঙ্গে হুড়মুড়িয়ে নেমে আসছে প্রকাণ্ড পাথর। প্রাণ বাঁচাতে ছুটছেন মানুষ। মুহূর্তের মধ্যে বদলে যাচ্ছে গোটা এলাকার ছবি। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে চলছে উদ্ধারকাজ। প্রকৃতির তাণ্ডবের সেই ভয়ঙ্কর ছবি ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।

নেপালে নজর রাজ্যের

নেপালের বিপর্যয়ের জেরে উদ্বেগে পশ্চিমবঙ্গও। কলকাতা থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বহু মানুষ নেপালে গিয়েছিলেন। কেউ বেড়াতে, কেউ আবার পুণ্যলাভের উদ্দেশ্যে। তাঁদের অনেকেই এখন দুর্যোগের কবলে পড়েছেন বলে আশঙ্কা। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে রাজ্য সরকার। নিখোঁজ বা আটকে পড়া রাজ্যের বাসিন্দাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা চলছে।

বিপদে নেপাল, পাশে ভারত

ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাবার, ওষুধ, পোশাক ও কম্বল-সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধারকাজেও সমন্বয় রেখে কাজ করছে ভারতের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বিপর্যস্ত নেপালকে দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফেরাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে ভারত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *