ভোট চুরির অভিযোগ ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বড় কর্মসূচি রয়েছে বিরোধীদের। ওই দিন সমাজের সব স্তরের মানুষকে আহ্বান জানালেন রাহুল গান্ধী। যা নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিজেপি। এরই মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর বাবাকে নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। এদিকে, বারবার জ্ঞানেশ কুমারের পাশে দাঁড়াচ্ছে বিজেপি। আর এবার, বিরোধীদের মোকাবিলায় পাল্টা স্ট্র্যাটেজি বানাতে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে বৈঠকে বসলেন নিতিন নবীন, অমিত শাহরা। দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে লুঠ ও দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন, বিজেপিরই প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি। বিজেপি বিধায়ক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করলেও, পদ্ম শিবিরের প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি কিন্তু নিজের অবস্থানে অনড়। তোলাবাজির অভিযোগে পোস্টার পড়ল বারাসাতের খড়িবাড়ি এলাকায়। অভিযুক্তকে বিজেপি থেকে বহিষ্কারের দাবি তোলা হয়েছে পোস্টারে। যদিও বিজেপির দাবি, তিনি দলে যোগই দেননি। এনিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
স্কুলে পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এবার সওয়াল করলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের বাড়িতে, রামনগরে যান তিনি। আর সেখান থেকেই একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। একদিকে যেমন তিনি কথা বলেন, চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর (Jogen Chowdhury)-র প্রয়াণ নিয়ে, তেমনই ‘আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগি নকশালরা করোনা ভাইরাস..’, এই মন্তব্যও করেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল ফিরিয়ে আনা দরকার। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, আধুনিক ভাষার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সঞ্চারিত করা দরকার। ব্রতচারী, NSS, প্রতি স্কুলে NCC ফিরিয়ে আনা দরকার।’ পাশাপাশি তিনি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, ‘NCC তুলে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করেছিলেন মমতা’। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রতচারী বন্ধ করার মতো কাজ করেছে। মা-কে আম্মা শিখিয়েছে। রামধনুকে রংধনু বলা হয়েছে। ফুফু, বুবু এইসব শিখিয়েছে। সিঙ্গুর থেকে টাটা-কে যারা তাড়িয়েছে, তাদের কথা ছোটদের সিলেবাসে রয়েছে। পরের শিক্ষাবর্ষে অনেক কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন।’
আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার, খঞ্জনি থেকে শুরু করে, সমস্ত সাংস্কৃতিক প্রতিভাও দরকার। প্রত্যেক স্কুলে এগুলোর চর্চা থাকা উচিত। পাশপাশি প্রত্যেকটা স্কুলে NSS, প্রতি স্কুলে NCC ফিরিয়ে আনা দরকার।’ এর আগেও, এক খুদেকে মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে পড়াশোনা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে শোনা গেল, পড়ুয়াদের জন্য মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে তাঁদের ব্রতচারী, NSS এবং NCC-তে যুক্ত করা এবং তাঁদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভারও খোঁজ করা।