কলকাতা: স্কুলে পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এবার সওয়াল করলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের বাড়িতে, রামনগরে যান তিনি। আর সেখান থেকেই একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। একদিকে যেমন তিনি কথা বলেন, চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর (Jogen Chowdhury)-র প্রয়াণ নিয়ে, তেমনই ‘আরশোলা, ছারপোকা, দিমাগি নকশালরা করোনা ভাইরাস..’, এই মন্তব্যও করেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ, পাস-ফেল ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর
আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল ফিরিয়ে আনা দরকার। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, আধুনিক ভাষার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সঞ্চারিত করা দরকার। ব্রতচারী, NSS, প্রতি স্কুলে NCC ফিরিয়ে আনা দরকার।’ পাশাপাশি তিনি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, ‘NCC তুলে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করেছিলেন মমতা’। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রতচারী বন্ধ করার মতো কাজ করেছে। মা-কে আম্মা শিখিয়েছে। রামধনুকে রংধনু বলা হয়েছে। ফুফু, বুবু এইসব শিখিয়েছে। সিঙ্গুর থেকে টাটা-কে যারা তাড়িয়েছে, তাদের কথা ছোটদের সিলেবাসে রয়েছে। পরের শিক্ষাবর্ষে অনেক কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন।’
আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার, খঞ্জনি থেকে শুরু করে, সমস্ত সাংস্কৃতিক প্রতিভাও দরকার। প্রত্যেক স্কুলে এগুলোর চর্চা থাকা উচিত। পাশপাশি প্রত্যেকটা স্কুলে NSS, প্রতি স্কুলে NCC ফিরিয়ে আনা দরকার।’ এর আগেও, এক খুদেকে মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে পড়াশোনা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে শোনা গেল, পড়ুয়াদের জন্য মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে তাঁদের ব্রতচারী, NSS এবং NCC-তে যুক্ত করা এবং তাঁদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভারও খোঁজ করা।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘আরশোলা, দিমাগি নকশালদের মোকাবিলা করতে ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রবাদী তৈরি করতে বছরে অন্তত ৩ দিন বিতর্ক, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা করা উচিত। তাহলে আর আরশোলাদের হঠাতে স্প্রে-র প্রয়োজন পড়ত না। ৩৪ বছরের নাস্তিক কমিউনিস্ট, ১৫ বছরের জামাতিরা রাজ্যের ঐতিহ্য নষ্ট করেছে। NCC তুলে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করেছিলেন মমতা।’