তোর্ষা ভট্টাচার্য্য, কলকাতা: প্রত্যেকবার পুজোর সময় কলকাতাতেই থাকেন তিনি, সময় কাটান বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গে। তবে এবারের পুজোটা তাঁর কাছে একটু বিশেষ। পুজোর আগেই মুক্তি পেয়েছে, তাঁর নতুন ওয়েব সিরিজ, ‘বীরাঙ্গনা ২’ (Birangana 2)। ইতিমধ্যেই দর্শকদের প্রশংসা পাচ্ছে এই সিরিজ, হইচই (Hoichoi) -এর সিরিজগুলির মধ্যে, একেবারে শুরু থেকেই যে ‘বীরাঙ্গনা ২’-এর শুরুয়াত অনেকটাই এগিয়ে তা জানানো হয়েছে সংস্থার তরফে। এখানেই শেষ নয়, ইতিমধ্যেই নেটফ্লিক্সের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে হইচই। ফলে নেটফ্লিক্সের পর্দাতেও এখন রয়েছে, ‘বীরাঙ্গনা’। ডাবিং করা এই সিরিজটির নাম সেই প্ল্যাটফর্মে, ‘ম্যাডাম সেনগুপ্ত’। অন্য ভাষাতেও প্রচুর মানুষ এই সিরিজটি দেখেছেন। আর তাই, খুশিতে ভাসছেন অভিনেত্রী সন্দীপ্তা সেন (Sandipta Sen)। 

এবার পুজো কেমন কাটল সন্দীপ্তার? অভিনেত্রী বলছেন, ‘বাবা-মা, সৌম্য, বন্ধুরা.. সবার সঙ্গেই পুজোয় খুব ভাল সময় কেটেছে। তবে এবার পুজোর আগেই ‘বীরাঙ্গনা ২’ মুক্তি পেয়েছে। সেটা আমার কাছে খুব স্পেশাল। প্রচার নিয়ে তো ব্যস্ত ছিলাম বটেই, কিন্তু একটা টেনশনও কাজ করছিল। পুজোর সময় বড়পর্দায় ৩টে ছবি মুক্তি পাচ্ছে, তার পাশাপাশি মানুষ ওটিটি তে ‘বীরাঙ্গনা ২’ দেখবেন কি না, তা নিয়ে একটা দ্বন্দ্ব ছিলই। পাশাপাশি, প্রথম সিজনের থেকে দ্বিতীয় সিজনে সবসময়েই প্রত্যাশার চাপ থাকে একটা। কিন্তু মানুষ একেবারে প্রথম দিন থেকে ‘বীরাঙ্গনা ২’ দেখা শুরু করেছেন, নিজেদের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। নেটফিক্সেও সিরিজটা ট্রেন্ডিং! সত্যি বলতে, আমরা আপ্লুত।’

প্রশংসা পেয়েছেন অভিনয়ের জন্য, কিন্তু সন্দীপ্তার কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক কে? সন্দীপ্তা বলছেন, ‘আমার বাবা। সৌম্য, মা সবাই কাজের প্রশংসাই করেন। কিন্তু বাবার যদি কিছু কম ভাল লাগে, তাহলে মিষ্টি করে এসে সেটা আমায় বলেন। আমি ওটার অপেক্ষায় থাকি। তবে ‘বীরাঙ্গনা ২’-কে বাবা ফুল মার্কস দিয়েছেন। আসলে আমার মনে হয়, বাবা আমায় অ্যাকশন করতে দেখতে, প্রতিবাদী চরিত্রে অভিনয় করতে দেখতে খুব ভালবাসেন। সেইদিকটায় বাবার একটা একচোখামি রয়েছে বলতে পারেন। এই সিরিজটারও খুব প্রশংসা করেছেন বাবা।’

‘বীরাঙ্গনা ২’-তে প্রচুর অ্যাকশন দৃশ্য রয়েছে। সন্দীপ্তার কাছে কতটা কঠিন ছিল শ্যুটিং? নায়িকা বলছেন, ‘আমি ভীষণ মজা করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোয় অভিনয় করেছি। কোথাও বডি ডাবল ব্যবহার করিনি। আমার মনে হয়, সবটা যদি নিজে করতে পারি, তবেই ১০০ শতাংশ দিয়ে অভিনয়টা করতে পারলাম। আর আমার মনে হয়, মানুষ আমায় প্রতিবাদী চরিত্রে দেখতেই পছন্দ করেন। যখন ধারাবাহিক করতাম, তখনও আমায় এমন চরিত্রই দেওয়া হত, সেখানে আমি প্রতিবাদ করছি, নিজের মতামত রাখছি। আমি কাঁদলে, টিআরপি পড়ে যেত ধারাবাহিকের। তাই সেই চিত্রনাট্যেও আমায় বেশি কাঁদায়নি। আমার তো মনে হয়, হিরোর পিছনে লুকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না। ওটা আমার দ্বারা হবে না, দমবন্ধ লাগে। যে চরিত্র আমায় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে, সেগুলোই আমায় সবচেয়ে বেশি টানে।’

 

আরও পড়ুন: Sandipta-Soumitrisha: অ্যাকশন থেকে পৌরোহিত্য.. জোড়া চমক সন্দীপ্তার! সৌমিতৃষা জুটি বাঁধছেন কার সঙ্গে?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *