চিটফান্ড থেকে চন্দ্রনাথ ঘুরে ফিরে সব বল চলে আসছে সেই সিবিআই এর কোর্টে। যে কটা উদাহরণ আমি দেবো আমি নিশ্চিত এতদিন আপনাদের একেবারে মুখস্ত হয়ে গেছে যে সারদা নারদ থেকে শিক্ষা দুর্নীতি, নোবেল চুরি থেকে রেশন দুর্নীতি, কেন্দ্রীয় এজেন্সির একটা তদন্ত বলুন যেটা দিনের শেষে কোনও লজিক্যাল কনক্লুশনে পৌঁছেছে। একটা তদন্ত বলুন, যেটা দিনের শেষে মাথা অব্দি পৌঁছেছে। কোনটাই পৌঁছায়নি। আবার এ বঙ্গে আরেকটা উপনির্বাচন এসে গেছে। আবার রাজনীতির বাজারে আরেকটা না শেষ করা তদন্ত এসে যথারীতি একেবারে এ রাজ্যের নিয়ম মেনে ইস্যু হয়ে গেছে। শতরূপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘দেখুন আমি তৃণমূলের ১৫ বছরের সময়কালে মানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করার প্রশ্নে অন্য কারও থেকে হাফ ইঞ্চি পিছিয়ে ছিলাম বলে আমার বিশ্বাস আমার সম্পর্কে কেউ বলবেন না। কিন্তু দেখুন আমার কাছে আমি জানি না এক্সাক্টলি কে খুন করেছে, সে তো আমার সঙ্গে কথা বলে খুন করেনি। কিন্তু আমি যতদূর সাধারণ বুদ্ধি বলে ৪ তারিখ তৃণমূল হেরে গেল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং হেরে গেলেন জায়গায় জায়গায় তৃণমূলের লোকেরা মার খাচ্ছে, যারা মার খায়নি তারাও জানে ১৫ বছর আমরা যা কাজ করেছি আমাদের মার খাওয়া উচিত। অতএব তারাও ত্রাহি ত্রাহি রব করে এখানে ওখানে পালাচ্ছে। এরকম অবস্থায় হঠাৎ করে ৬ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মিলে বিজেপির এক নম্বর নেতার পিএকে খুন করিয়ে দিলেন, এটা আমার খুব একটা লজিক্যাল লাগছে না। এটাও সত্যি যে আমার লজিক্যাল লাগল কি না লাগল সেটা বড় কথা নয়। তদন্ত যদি কখনো পুরোটা হয় সামনে আসবে। এখানেই পরের কথাটা যে ১১ জন এখনও পর্যন্ত যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়েছে তাদের মধ্যে ৭জন হচ্ছে প্রফেশনাল কিলার। সে আমি টাকা দিলে তোমায় খুন করবে, তুমি টাকা দিলে আমায় খুন করবে তাদের কোন লেনদেন নেই কাকে খুন করছে তার সঙ্গে এবং বাকিরা হচ্ছে আরকাঠী যারা কিনা তাকে টাকাটা পৌঁছে দিয়েছিল। এইটুকুই তাদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এবং এদের কারওরই তো শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক সঙ্গে কোন শত্রুতা থাকতে পারে না। অতএব এদেরকে টাকাটা দিয়ে কে খুন করতে পাঠাল, সেটা কেন এখনও অব্দি সিবিআই বলল না। তদন্ত কি তাহলে এই অব্দি থেমে থাকবে? আমরা কি আসল লোকগুলোকে জানতে পারব না এর পেছনে কারা আছে। যেরকম এই তৃণমূলের সুশান্ত ঘোষকে মারতে গেছিল সব জানি কিন্তু কে মারতে গেছিল আজ অব্দি জানলাম না। সেরকম এক্ষেত্রেও কি তাই হবে?’