কলকাতা: তিনি বাংলায় অভিনয় করেছেন, মন জয়ও করেছেন। আর বলিউডে একের পর এক ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে নিজের ছাপ রেখে গিয়েছেন তিনি। আর এখন, তাঁর অভিনীত অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র হল, ‘পঞ্চায়েত’ (Panchayat) ওয়েব সিরিজের ‘প্রধানজী’ তিনি। একের পর এক সিজনে তিনি দর্শকদের মনজয় করে নিয়েছেন। তবে এই অভিনয়ের সফর সহজ নয় একেবারেই। ওয়েব সিরিজ ছাড়াও, একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। রঘুবীর যাদব (Raghubir Yadav)। তবে ‘হুঙ্কার’ (Hunkkaar: The Roar) ছবিতে অভিনয় করা কালীন, একটা ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যায়, রঘুবীর যাদবের সঙ্গে। বিশেষ একটি দৃশ্যের শ্যুটিংয়ের আগের দিন রাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। 

হৃদরোগে আক্রান্ত, তার পরের দিনই শ্যুটিং ফ্লোরে ‘পঞ্চায়েত’-এর প্রধানজী!

সদ্য দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে পরিচালক কর্ণ কাপাডিয়া (Director Karan Kapadia) এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। ‘হুঙ্কার’ ছবিতে এক আধাত্মিক গুরুর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, রঘুবীর যাদব। ছবিতে তাঁর চরিত্রের নাম ছিল, ‘বাপজী’। আধাত্মিক গুরু পরিচয়ের আড়ালে মহিলাদের শোষণ করতেন তিনি। এদিন যে দিনটির কথা প্রকাশ্যে আনেন পরিচালক, তার পরের দিন একটি আদালতের দৃশ্যের শ্যুটিং ছিল। আদালতে দাঁড়িয়ে বাপজীর চরিত্র শিকার করে নেবে, নিজের যাবতীয় অপরাধের কথা। বিশেষ এই দৃশ্যের শ্যুটিং করার জন্য নিজের আবেগের ওপরেই ভরসা রেখেছিলেন রঘুবীর যাদব। কিন্তু এই দৃশ্য শ্যুটিং করার আগের রাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন রঘুবীর। ফলে এই দৃশ্যটিতে অভিনয় করার জন্য আলাদা করে কোনও আবেগের প্রয়োজন হয়নি তাঁর। এই দৃশ্যে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রঘুবীর যাদব বলেছিলেন, তিনি আলাদা করে তাঁর কণ্ঠে গভীরতা আনার জন্য কিছুই করেননি। কার্যত তিনি এদিনের দৃশ্যে আলাদা করে অভিনয়ও করেননি। 

গল্পে ছিল, ‘বাপজী’ নিজের পুত্রকে দাহ করে আদালতে এসে নিজের সমস্ত কৃতকর্মের কথা স্বীকার করেন। রঘুবীর যাদব জানান, হৃদরোগের কষ্টই তাঁকে অভিনয়ে সাহায্য করেছিল। আলাদা করে তাঁকে অভিনয় করতে হয়নি। রসিকতা করেই রঘুবীর জানান, শরীরের যন্ত্রণাই তাঁকে অভিনয়ে সাহায্য করেছিল। রঘুবীরের এই অভিজ্ঞতাই যেন প্রমাণ করে দেয়, পর্দায় কোনও চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে শুধু অভিনয়ের কৌশল নয়, আবেগের গভীরতাও গুরুত্বপূর্ণ।

 

আরও পড়ুন: Bhaswar Chatterjee: হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বদলে শ্যুটিং ফ্লোরে হাজির ভাস্বর! ‘মাথা ঘুরত, কষ্ট হত..’ প্রকাশ্যে অজানা ঘটনা

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *