তোর্ষা ভট্টাচার্য্য, কলকাতা: নতুন ধারাবাহিক আর নতুন প্রেমের গল্প। নতুন চমক নিয়ে, ধারাবাহিকে ফিরছেন অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohana Maiti)। আসছে নতুন ধারাবাহিক ‘আশীর্বাদ’। এই ধারাবাহিকে মোহনার বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাবে, সোহম বসু রায়চৌধুরী-কে। বাবা আর ৪ সন্তানকে নিয়ে এক পরিবার। সেই পরিবারেই পা পড়বে, নায়িকার। ঘরের প্রত্যেক কোণায় যেখানে অলক্ষ্মীর ছাপ, সেখানে কী আসবে লক্ষ্মী? সেই গল্পই দেখানো হবে, স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিকে। এই ধারাবাহিকে, মোহনার চরিত্রের নাম মেঘলা। এই চরিত্রে অভিনয় করে কেমন অভিজ্ঞতা হচ্ছে তাঁর? এবিপি লাইভ বাংলার সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন গল্পের নায়িকা।
নতুন ধারাবাহিকে মোহনা মাইতি, চরিত্র নিয়ে কী বলছেন তিনি?
মোহনা থেকে মেঘলা হয়ে ওঠা, কোন বিষয়টা সবচেয়ে কঠিন ছিল নায়িকার জন্য? মোহনা বলছেন, ‘মোহনা আর মেঘলার মধ্যে একটা চরিত্রগত পার্থক্য রয়েছে। মেঘলা খুব নম্র, ভদ্র, নিরীহ স্বভাবের একটা মেয়ে। যে মুখের ওপর কথা বলে না, কোনো কিছুতে প্রতিবাদ করা তাঁর স্বভাবে নেই। সমাজে যাঁদের আমরা ভাল মেয়ের তকমা দিই, মেঘলা একেবারে সেইরকম একটা মেয়ে। কিন্তু মোহনা একেবারেই তেমন নয়, চরিত্রগতভাবে অনেকটাই আলাদা। ফলে মোহনা থেকে মেঘলা হয়ে ওঠাটাকেই আমার সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং বলে মনে হচ্ছে।’
তুলনামূলক নতুন নায়কের সঙ্গে কাজ করলে, নায়িকার কাঁধে TRP-র দায়িত্ব কী বেশি থাকে? মেঘলা বলছেন, ‘আমার মনে হয় না, TRP-টা শুধু নায়ক আর নায়িকার ওপর নির্ভর করে। আর সোহম খুব পরিচিত মুখ, জনপ্রিয় অভিনেতাও। ফলে TRP-র দায়িত্ব আমাদের গোটা ‘আশীর্বাদ’ টিমের কাঁধেই রয়েছে। আর সবকিছু আমাদের হাতে নেই, দর্শকদের ওপরেও রয়েছে। তাঁরা কতটা ভালবাসা দেবেন.. এখনও আমরা জানি না। তবে আমরা সবাই, নিজেদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করব দর্শকদের মনজয় করতে আর দীর্ঘদিন যাতে দর্শকদের বিনোদন দিতে পারি, এই প্রত্যাশা নিয়েই তো প্রত্যেকটা নতুন কাজ শুরু হয়। আমরাও চেষ্টা করব ভাল জায়গায় থাকতে।’
এই ধারাবাহিকের গল্প শুরু হয়, একটি বিয়ে নিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহ নিয়ে কী কী স্বপ্ন রয়েছে মোহনার? নায়িকা বলছেন, ‘এই মুহূর্তে আমার বিয়ে নিয়ে কোনও স্বপ্ন নেই। এখনও এসব কথা ভাবছিই না। এই জায়গায় মেঘলা আর মোহনার মধ্যে একটা মিল রয়েছে। গল্পে মেঘলা যেমন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়, নিজের পরিচিতি তৈরি করতে চায়, মোহনাও ঠিক তাই। বিয়ে নিয়ে মোহনার আপাতত কোনও স্বপ্ন নেই।’