প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “আজ আমি নিশ্চিত আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করছে”। “আমার বাড়ির সামনে থেকে ফলো করা হল”। “শুধু আমি নই, আমার সহকর্মীরাও নিরাপদ নয়”। “সব মুখ বাঁধা, হাতে হাতুড়ি…”। “আমাকে হাতুড়ি দিয়ে মারা হয়..”। “ওরা বলেছে জানে মেরে দেবে”। “এইভাবে থামানো যাবে না আমাকে”।
আরও পড়ুন – বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন,’যে রাজনৈতিক দলটি পশ্চিমবঙ্গের শাসনের দায়িত্বে ছিল, তাঁদের হ্যাভ আর হ্যাভ নট, তাঁদের মধ্যে মারামারি চলছে। মহা মুশকিল প্রত্যেক মুহূর্তে আক্রান্তরা বিজেপির কথা বলছেন, কিন্তু তারা সবাই ভাল করে জানেন, তাঁদের দলের লোকেরা একে অন্যকে এই সময় মারছে। এটা একেবারেই অনভিপ্রেত। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও প্রশাসন অবিলম্বে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন। কেননা, এই রাজনৈতিক দল অর্থাৎ বিগত যে টিএমসি দল এটা ভেঙে অনেকগুলো অংশে বিভক্ত হয়েছে। তারাই একে অপরকে বিভিন্ন সময় আক্রমণ করছে। এবং মজার কথা সত্যি কথাটা কেউ বলছেন না। সবাই মিলে বিজেপির নামে একটা কিছু অভিযোগ তুলে দিচ্ছেন। বিধায়কের ওপর আক্রমণ হওয়া বরাবরই অনভিপ্রেত। এটা সহ্য করা উচিত নয়। বা যায়ও না। যদি তাঁর নিজের দলের প্রাক্তন লোকেরা আক্রমণ করে, এবং বারংবার যদি করেন, তাহলে প্রশাসনিক স্তরে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’