পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা: দিল্লিতে মেসবাড়ি ভেঙে পড়ুয়াদের মৃত্য়ুর পর কলকাতার ভগ্নদশায় থাকা হস্টেলগুলো নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন আবাসিকরা। যেমন কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজের অ্য়ানাটমি বিভাগের হস্টেল। আবাসিকদের দাবি, কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও, ব্য়বস্থা নেওয়া হয়নি। এবার কি ছবিটা পাল্টাবে? সেটাই দেখার।
দিল্লির চাণক্য়পুরীতে ৫ তলা মেসবাড়ি ভেঙে মর্মান্তিক মৃত্য়ু হয়েছে পড়ুয়াদের।ভাঙা বাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার হয়েছে একের পর এক নিথর দেহ।এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কলকাতার হস্টেলগুলিও। কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজের অ্য়ানাটমি বিভাগের এই হস্টেলের অবস্থা তথৈবচ। কারনিশের নীচে ধরেছে চওড়া ফাটল। কোথাও কোথাও চাঙরও খসে পড়েছে। হস্টেলের দেওয়ালেও লম্বা ফাটল। কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের ছাত্র সৌরদীপ সিংহ বলেন,’আমাদের হস্টেলে আমরা যেমন মেডিক্য়াল কলেজের ছাত্র। আমি হস্টেলে থাকি। হস্টেলের অবস্থা এরকমই যে, খুব বৃষ্টি হলে প্রচণ্ড বৃষ্টি হলে হস্টেল থেকে জল টপকে পড়ে রুমের মধ্য়ে। তারপর রুমের প্লাস্টার ট্রাস্টার ছাড়ানো। যে কোনও কারও মাথায় পড়ে যেতে পারে। আমরা বলেছি, অথরিটিকে জানিয়েছি। বর্ষার আগে জানিয়েছিলাম। কিন্তু বর্ষার পরে এখনও কোনও স্টেপ নেওয়া হয়নি।’
পড়তে এসে এখন দিন কাটাতে হচ্ছে আতঙ্ক নিয়ে। বই নিয়ে বসলে বারবার চোখ চলে যাচ্ছে ছাদের দিকে। সৌরদীপ সিংহ আরও বলেন,বলেন, হ্য়াঁ , প্লাস্টার তো ছিঁড়ে পড়েই। এবার যে কোনও কারও মাথায় পড়ে যেতেই পারে। আমরা রাতের বেলায় শুয়ে থাকি বা যাওয়া আসা করি। তো একটু ভয় তো থাকেই। দিল্লির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কি এবার সতর্ক হবে কর্তৃপক্ষ? হস্টেল সারাতে নেওয়া হবে উদ্য়োগ? সেটাই দেখার।