কলকাতা : নিউ মার্কেটের হোটেলে ভয়বাওহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তাঁদের মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশন। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং তাঁর পরিবারের তিন সদস্য। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক ‘আজকের পত্রিকার’- এর সাংবাদিক দেবাশিস দত্ত ছিলেন নিউ মার্কেটের ওই হোটেলে। কুষ্টিয়ার বিখ্যাত এই সাংবাদিক কলকাতায় এসেছিলেন তাঁর স্ত্রী, শ্বশুরমশাই এবং আড়াই বছরের ছেলে স্বর্ণাশিসকে নিয়ে। তাঁদের ৪ জনকেই এই আগুনের গ্রাসে প্রাণ হারাতে হয়েছে। এই ৪ জন ছাড়াও মৃত্যু হয়েছে ঢাকার এক বাসিন্দার। হোটেল ‘শিখা ইন’- এ আগুনের লেলিহান শিখায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৯ জনের। 

মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনের তরফে হেল্প লাইন নম্বর চালু করা হয়েছে।  হেল্প লাইন : +91 8274821352 . তারাপীঠ-অগ্নিকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার নিউ মার্কেটের হোটেলে জ্বলল আগুন। মিরজা গালিব স্ট্রিটের ওপরে হোটেল ‘শিখা ইন’-এর আগুনে মৃত্যু হল অন্তত ৯ জন আবাসিকের। প্রাণে বাঁচতে কেউ ব্যালকনি থেকে ঝাঁপ দিলেন। কেউ আশ্রয় নিলেন হোটেলের বাথরুমে। এই ঘটনায় SIT গঠন করে তদন্ত শুরু করল পুলিশ। তারাপীঠ-অগ্নিকাণ্ডের রেশ কাটার আগেই মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে এবার খাস কলকাতার বুকে নিউ মার্কেটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। ‘হোটেল শিখা ইন’-এর অগ্নিকাণ্ডে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে ১ শিশু, ২ জন মহিলা, ৬ জন পুরুষ রয়েছেন। 

বাঁকুড়ায় CJP সমর্থকের বাবার মৃত্যু, নিহতের বাড়িতে গেলেন নৌশাদ সিদ্দিকি, কী বললেন ISF বিধায়ক 

হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা SIT গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। গাফিলতি থেকে অনিচ্ছাকৃত ধারা-সহ একাধিক ধারায় রুজু করা হয়েছে মামলা। ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা হোটেলের মালিক বীরেশ্বর মিত্র। হোটেল আবাসিকদের একাংশের দাবি, পাঁচ তলা এই বিল্ডিংয়ের প্রত্যেকটা ফ্লোরে অন্তত ৪ থেকে ৫টি হোটেল রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, গোটা বিল্ডিংজুড়ে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বালাই নেই। বহুতলে ঢোকা-বেরনোর জন্য যে রাস্তা, তাও ছিল অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ। বিল্ডিংয়ের অর্ধেকেরও বেশি সিঁড়িই ছিল লোহার তৈরি। প্রাণ বাঁচাতে কেউ উপর থেকে ঝাঁপ দেন। কেউ জানলার গ্রিল খুলে বেরিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন কার্নিসে। ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফের মৃত্যুমিছিল দেখল শহর। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *