কলকাতা: গতকাল সপ্তমীর রাতে মহা বিপর্যয়ের স্বাক্ষী থেকেছে তিলোত্তমা কলকাতা। চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এবার ভবানীভবনে জরুরি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিজি, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের মতো প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা।
আরও পড়ুন: অনুমতি দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, এবার মিশে যাচ্ছে এই দুই ব্যাঙ্ক, কী হবে এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের?
আজ সকাল ১১ টার দিকে ভবানীভবনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। এখানে তিনি একটা প্রশাসনিক বৈঠকও করেন। কারণ, চোরবাগানের এই বিপর্যয়ের পর তিনি তড়িঘড়ি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তাদের ডেকেচেন ভবানীভবনে। এর মধ্যে রয়েছেন মুখ্যসচিব, রয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব। এ ছাড়াও রয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সহ আরও অনেক কর্তা ব্যক্তিরা। এ ছাড়াও এই বৈঠকে রয়েছেন বিপর্যয় মোকাবিল দলের কর্মীরাও।
এই বৈঠকে মূলত আলোচনা হবে প্রশাসনিক বিষয়। এ ছাড়াও চোরবাগানে যে ঘটনা ঘটেছে এমন ঘটনা আটকাতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়াও গতকালের ঘটনায় আঙুল উঠছে পুলিশের দিকে। আজকের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এই বৈঠক শুরু হয়। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এসেছেন ভবানীভবনে। এ ছাড়াও এই যে প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের মতো প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা।
আশা করা হচ্ছে এই বৈঠক থেকেই সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসবে। যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে। এ ছাড়াও একাধিক প্রশাসনিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে বলেই খবর মিলেছে ভবানীভবন সূত্রে।
আরও পড়ুন: আগামী ২০২৭ সালের আইপিএলে কি খেলবেন ধোনি নাকি অবসর? বড় ইঙ্গিত রবিচন্দ্রন অশ্বিনের
অন্যদিকে, চোরবাগান বিপর্যয়ের পরই পুজো প্যান্ডেলের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে তৈরি করা হয়েছে কমিটি। এই বিশেষ কমিটি খতিয়ে দেখবে ভিড় নিয়ন্ত্রণে কী কী বন্দোবস্ত নেওয়া হয়েছে। যে সব প্যান্ডেলে ভিড় বেশি হয়, সেখানেও ঘুরে দেখবেন কমিটির সদস্যরা। এ ছাড়াও খতিয়ে দেখা হবে এন্ট্রি ও এক্সিট গেট। আলোর ব্যবস্থা সহ যাবতীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ডিরেক্টর রাজেশ সিং। অন্যদিকে কমিটিতে রয়েছেন জাভেদ শামীম, অনুজ শর্মা-সহ পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক উচ্চ পদস্থ কর্তা।