কলকাতা: মাত্র ৪ দিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন, বলিউডের অন্যতম খ্যাতনামা অভিনেতা, নানা পাটেকর (Nana Patekar)। জানা গিয়েছে, গোয়ায় শ্যুটিং করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। আর নানা পাটেকরের মৃত্যুর মাত্র কয়েকটা দিন পরেই, প্রয়াত হলেন তাঁরই সহ অভিনেত্রী। প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেত্রী, মধু কাম্বিকর (Madhu Kambikar)। প্রয়াণকালে মারাঠি অভিনেত্রীর বয়স হয়েছিল, ৭৩ বছর। পর্দায় একটি ছবিতে, নানা পাটেকরের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মধু কাম্বিকর। যদিও বয়সে নানা পাটেকরের থেকে ছোট ছিলেন তিনি।

নাচের মাধ্যমে শুরু কেরিয়ার, পরে পা রাখেন রুপোলি পর্দায় 

মধু কাম্বিকর মূলত মারাঠি অভিনেত্রী হিসেবেই জনপ্রিয় ছিলেন। ২৮ জুলাই ১৯৫৩ সালে মালেগাঁও খুর্দের বিডে-তে জন্ম হয়েছিল তাঁর। রুপোলি পর্দা নয়, স্টেজ শো-এর মাধ্যমেই প্রথম তাঁর কেরিয়ার শুরু হয়েছিল। এরপরে তিনি পা রাখেন রুপোলি পর্দায়। নানা পাটেকর ছাড়াও তিনি কাজ করেছেন, গোবিন্দ ও দিব্যা ভারতীর মতো নামজাদা অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে। সিনেমার পাশাপাশি, নাটক এবং কমার্শিয়াল থিয়েটারেও উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল মধুর। ‘শাপিত’ ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। এই ছবিটি তৈরি করেছিলেন রাজদত্ত। এছাড়া ‘লাবণী’- ছবিতেও তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল দর্শকদের। 

অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থ, স্ট্রোক হয়ে গুরুতর অসুস্থ

জানা যাচ্ছে, ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে মুম্বইতে একটি নাচের পারফরম্যান্স করার সময়ে, স্ট্রোক হয় তাঁর। সেইদিন, অসুস্থতা নিয়েই মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি, করেন পারফরম্যান্সও। এতে তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। ভীষণ চাপ পড়ে তাঁর শরীরের ওপর। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে, রূপটান ঘরে এসে, আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখনই স্ট্রোক হয় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শরীরের ডানদিকে আঘাত হেনেছিল স্ট্রোক। অভিনেত্রী নৃত্যশিল্পীর ডান হাত কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এরপরে অসুস্থতার কারণে ধীরে ধীরে লাইমলাইট থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন অভিনেত্রী। মারাঠি সিনেমায় তাঁর অবদানের জন্য মধু জি চিত্র গৌরব অ্যাওয়ার্ড সেরেমনিতে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পান। কিন্তু তিনি পুরস্কার নিতে অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি। তাঁর মেয়ে শীতল যাদব মায়ের হয়ে সম্মান গ্রহণ করেন।

 

আরও পড়ুন: Srijit Mukherji: গানের প্রতি আমার ভালবাসাকে নিজের ছবিতে ব্যবহার করার ইচ্ছা ছিল অনেকদিনের: সৃজিত মুখোপাধ্যায়

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *