হুঁশিয়ারি, তার পাল্টা জবাব। উৎসবের আমেজেও বিজেপির দুই বিধায়কের মন্তব্য়ে শুরু  রাজনৈতিক তরজা শুরু হল। বিজেপির দুই বিধায়কের মন্তব্য়ে শুরু হল তরজা। সোমবার নিজের বিধানসভা এলাকার একটি পুজো মণ্ডপে গিয়ে ‘গুন্ডাদের রাজত্ব’
নিয়ে হুঁশিয়ারি দেন জগদ্দলের বিজেপি বিধায়ক রাজেশ কুমার। তিনি বলেন, ‘কিছু ক্রিমিনাল লোক যদি পুজোর মধ্য়ে জড়িয়ে যায়, আমরা যাব না ওখানে। আমরা ক্রিমিনালদের সঙ্গে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে FIR আছে, ওরা পুজোর উদ্য়োক্তা হয়ে যাবে, এরকম গুন্ডাদের রাজত্ব এখানে চলতে পারবে না। জগদ্দলের মাটিতে গুন্ডাদের রাজত্ব চলতে দেব না।’

জগদ্দলের বিজেপি বিধায়ক কাকে উদ্দেশ্য় করে এ কথা বলেছেন, এই নিয়ে জল্পনার মধ্য়েই বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক সুদীপ্ত দাস পাল্টা জবাব দেন, ‘আমার নামে খুনের মামলা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, তিন বছর জেল খাটতে হয়েছে। আমি ত্রুিমিনাল, তাহলে এই ক্রিমিনালকে দল টিকিট দিয়েছে এবং বিধায়ক মানুষ নির্বাচিত করেছে।’ নতুন সরকার হওয়ার পর প্রথম দুর্গাপুজো। আর এর মধ্য়েই দুই বিজেপি বিধায়কের মন্তব্য় এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। 

জগদ্দলের বিজেপি বিধায়ক বললেন, যাদের বিরুদ্ধে FIR আছে, তারা পুজোর উদ্য়োক্তা হয়ে যাবে, এরকম গুন্ডাদের রাজত্ব এখানে চলতে পারবে না। জবাব দিতে গিয়ে বিজেপিরই আরেক বিধায়ক বললেন, পুলিশের খাতায় নাম থাকা মানেই যদি ক্রিমিনাল হয় তাহলে আমরা ক্রিমিনালরা এক থাকি, আর ভদ্রলোকরা আলাদা থাকুক। সুদীপ্ত দাস এখানেই থামেননি। বলেন, ‘মুখ্য়মন্ত্রী..তাঁর নামে কতগুলো কেস আছে…তাহলে কি দল একজন ক্রিমিনালকে মুখ্য়মন্ত্রী বানিয়েছেন, বলতে চাইছেন কেউ?’ তিনি প্রশ্ন তুললেন, ‘পুলিশের খাতায় নাম থাকা মানেই যদি ক্রিমিনাল হয়, তাহলে সবাই ক্রিমিনাল। চলুন আমরা ক্রিমিনালরা এক থাকি, আর ভদ্রলোকরা আলাদাই থাকুক।’  এখন এই আকচাআকচির জল কোন দিকে গড়ায় সেটাই দেখার। পুজোর আগেও পুজোর দখল নিয়ে একাধিক কোন্দল সামনে আসে । 

গত অগাস্টে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এন্টালির পদ্মপুকুরে। দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজোকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ঝামেলা ছড়ায় এন্টালি থানা চত্বরেও। থানার গেটে বিজেপি নেতার তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করে বিজেপি। অভিযুক্ত বিজেপি নেতা সুদীপ রামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয় রাজ্য বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি । 

 

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *