নন্দীগ্রাম : “নন্দীগ্রামে অগাস্ট মাসে ৬৭ হাজার মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার করে টাকা ঢোকানো হয়েছে।” সোমবার নন্দীগ্রাম বিধানসভায় জনকল্যাণে বিভিন্ন প্রকল্পের শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আপনারা জানলে খুশি হবেন, এখনও অবধি নন্দীগ্রামে অগাস্ট মাসে ৬৭ হাজার মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার করে টাকা ঢোকানো হয়েছে। আরও ৫ হাজার ভেরিফিকেশন বা প্রসেসে আছে। তাঁরা যোগ্য বিবেচিত হলে তাঁরাও এই অর্থ পেয়ে যাবেন। ১৭টা অঞ্চলে ৬৭ হাজার মা-বোন-দিদিকে ৩ হাজার টাকা করে মাসে দেওয়া, এটা একটা খুব ছোটখাট কাজ নয়। এটি একটি বড় কাজ। এই প্রত্যাশা নিয়েই আপনারা আমাকে জিতিয়েছিলেন।”

এদিকে ৩১ অগাস্টের পর স্টাডি করে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কিছু বলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে দিনকয়েক আগে তিনি বলেছেন, “আমরা একটা পোর্টালও চালু করেছি অন্নপূর্ণা নিয়ে। এখন অবধি (২৫ অগাস্টের তথ্য অনুযায়ী) সাড়ে ৪ লক্ষ অভিযোগ এসেছে তাতে। আমি ধন্যবাদ জানাব… ইনক্লুসনের আবেদন আছে , আবার এক্সক্লুসনের জন্যও লোক অভিযোগ করেছে। ও পাওয়ার যোগ্য নয় কেন পেয়েছে ! ৩১ অগাস্টের পর স্টাডি করে বলে দেব। আমরা যে অভিযোগ পোর্টালটা চালু করেছিলাম ২১ তারিখ থেকে তাতে সাড়ে ৪ লক্ষ মা-বোন-দিদি অভিযোগ করেছেন। সবাই ইনক্লুসনের জন্য করেননি। তারমধ্যে একটা বড় সংখ্যক…আমাদের দফতর বলেছে…যে ইনি আপনাদের ঘোষিত নিয়মে পাওয়ার যোগ্য নন, কিন্তু ইনি পাচ্ছেন।”

তার কয়েকদিন আগে নর্দান পার্কে সুভাষ উদ্যানের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “১ কোটি ৪৫ লক্ষ মা-বোন-দিদিকে টাকা দিয়েছি। জুনে ২৮ লক্ষ। তাড়াতাড়ি তালিকা ঠিক করা যায়নি। জুলাইতে ১ কোটি ১৯ লক্ষ। এই মাসে ১ কোটি ৪৫। এটাও কথা দিয়ে গেলাম, যারা এই সামান্য অল্প ভাতার ওপরে নির্ভর করেন বা প্রকৃত পাওয়ার হকদার, আরও যদি ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। কিন্তু, ধমক-চমক দিয়ে, রিল বানিয়ে আর মিডিয়া ট্রায়াল করে, আর ২০ জন লোককে রাস্তায় নামিয়ে ওই হেরে যাওয়া তৃণমূল…খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাওয়া…কেউ বলে আমি কালীঘাট, কেউ বলে আমি ঋত…কে বলে গেলাম উত্তরে, কে বলে দক্ষিণে…ভাইপো আবার বিদেশে, পিসির ঘরে তালা-চাবি লাগানো। আপনাদের এসব কোনও বুদ্ধি চলবে না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *