কলকাতা: বামেদের বুক স্টলে হামলা, তীব্র আক্রমণে খোদ RSS-র নেতা। ‘ক্ষমতার দম্ভে যারা বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে, তারা কাপুরুষ’। ‘যারা বুক স্টল করতে দিচ্ছেন না…ভেঙে দিচ্ছেন, তারা ভারতকে বোঝেননি’। ‘তারা ভারতকে বোঝেননি, তারা হিন্দু নাম নেওয়ারও যোগ্য নয়’। ‘এটা হিন্দু ভাবনার বিরুদ্ধে, হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে’। ‘ক্ষমতার মদমত্তে পুলিশ-প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে’, বলছেন খোদ আরএসএসের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের সহ ক্ষেত্র প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু।
‘কোথাও স্টল করতে বাধা, কোথাও বামেদের বুক স্টলে হামলা’। ‘আগে আমাদের বুক স্টল করতে দেওয়া হত না, মারধরও হত’। ‘এরকম ঘটলে আমরা মনে করতাম যত বেশি অত্যাচার, তত বেশি ঘৃণা’। ‘ভারতবর্ষ শুধু অন্যের আদর্শকে গ্রহণই করে না, মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়’। ‘এটাই ভারতবর্ষ, এটাই হিন্দুত্ব, এটাই হিন্দুধর্ম’। ‘আজ ক্ষমতার দম্ভে যারা এরকম আচরণ করছেন, অন্যকে বলার অধিকার দিচ্ছেন না…’। ‘যারা এই কাজ করছেন,তারা প্রকান্তরে আদর্শের একটা গভীর ক্ষতি করছেন’। ‘যদি বানতলার মতো ঘটনা ঘটলে অবশ্যই প্রতিবাদ করুন’। ‘কোনও মানুষের জীবন নেওয়ার মতো ঘটনা না ঘটলে বুক স্টল করার অধিকার আছে’। ‘ভারতবর্ষে সব মতকে প্রকাশের অধিকার দেয়, সেটাই আদর্শ’। ‘আজ যা করছি, তার উপরেই ঠিক হয় মানুষ আমাদের কি চোখে দেখবে’। ‘ক্ষমতায় মদমত্ত হয়ে বিরোধী মত প্রকাশের বিরুদ্ধেই মানুষ একত্রিত হয়েছেন’। ‘মানুষের এই রায়কে সম্মান দেওয়াটাই আমাদের কাজ’। ‘বুক স্টল বন্ধ করার মধ্যে পৌরুষ নেই, ভারতের মানুষ কাপুরুষকে ঘৃণা করে’, বলছেন খোদ আরএসএসের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের সহ ক্ষেত্র প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু।
কলকাতায় ফের সিপিএমের বইয়ের স্টল ভাঙচুর। গভীর রাতে হরিদেবপুরের সোদপুরে সিপিএমের স্টলে হামলা । স্টলে ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার বেহালা পূর্বের বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর শিকদারের । হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের।
এবার নদিয়ার ফুলিয়ায় সিপিএমের পুজোর বুকস্টলে ভাঙচুর, আগুন। রবিবার ফুলিয়া রঞ্চমঞ্চের কাছে রাস্তার ধারে বুকস্টলে হামলা। স্টলের ভিতরে রাখা মনীষীদের ছবি, বই রাখার স্ট্যান্ড এবং কর্মীদের বসার বেঞ্চ ভাঙচুর । ভাঙচুরের পর স্টলের ভিতরে থাকা মনীষীদের ছবি ছিঁড়ে দেওয়া হয়, ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য। হলদিয়াতেও সিপিএমের বুক স্টলে হামলা! ব্রজলালচকে স্টল ভাঙচুর। অভিযোগ জানানো হয়েছে হলদিয়ার ভবানীপুর থানায়।