কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দাপট দেখিয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশায়। এখনও দুই রাজ্যে একাধিক জেলায় বন্য়া পরিস্থিতি। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গেও হয়েছে ঝড়বৃষ্টি।

অর্ণবের পর মুরাসু। আবার ঘূর্ণিঝড় বঙ্গোপসাগরে। তবে আবহবিদদের পূর্বাভাস, অর্ণবের মতো একইভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে হানা দেবে এই ঘূর্ণিঝড়। ২ মে সোমবার ঘূর্ণিঝড় উপকূলের কাছে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস।

বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে আজকেই এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে নিম্নচাপ। ল্যান্ডফলের সম্ভাবনা অন্ধ্রপ্রদেশের মাছলিপত্তনামের কাছে।

ঘূর্ণিঝড় হলে নাম হবে মুরাসু। এই নাম দিয়েছে ভারত। এর সরাসরি কোন প্রভাব নেই বাংলায়। তবে এর গতিপথ কোন দিকে হচ্ছে সেদিকে নজর রাখছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। 

শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ

ফের বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা! আবহবিদরা জানিয়েছেন, ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপ। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। শুধু তাই নয়, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

কোন পথে এগোবে ঘূর্ণিঝড়? আবহবিজ্ঞানীরা বলছেন, পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছতে পারে ঘূর্ণিঝড়। আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনায় নজর রাখছেন আবহবিদরা। তবে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ওই নিম্নচাপের জেরে কোনও আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা হয়নি।

৩১ অক্টোবর, শনিবার দুপুর ১টায় প্রকাশিত আবহাওয়া দফতরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর, উত্তর আন্দামান সাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপর অবস্থান করছিল নিম্নচাপ অঞ্চলটি। শুক্রবার পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সেটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান সাগরের উপর সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার জোরাল সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে সেটি। অর্থাৎ নভেম্বরের শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ওয়ান ডে সিরিজের শুরু থেকেই ভারতীয় দলে ডাক পেলেন জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *