কলকাতা: পালাবদলের পর টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় নির্বাচন। নতুন সভাপতি বেছে নিতে ভোটযুদ্ধ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চলছে নির্বাচন প্রক্রিয়া। আজ ও কাল ২ দিন চলবে স্টুডিওপাড়ায় নির্বাচন।
শনিবার সকাল থেকেই ফেডারেশনের নির্বাচনে নজর রাখতে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওর বাইরে উপস্থিত। রয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ার হাল ফেরাতে কী ভাবনা তাঁর? কী পরিকল্পনা রয়েছে ভবিষ্যতে? জানালেন মিঠুন।
এদিন নির্বাচনের দিন মিঠুন চক্রবর্তী জানালেন, ‘যুদ্ধ হয়ে গেছে। আবার বললাম সংবিধান মেনে চলি আমরা। আগে যা হয়েছে সেগুলো আর হবে না। কেউ যদি এসব করে তাহলে আমার থেকে খারাপ লোক দেখেনি কেউ। বাংলা ছবি ব্যবসা অনেক পিছিয়ে গেছিল। দেখুন এবার কি স্পিড নেবে। আমরা থার্টি পার্সেন্ট সাবসিডি দিচ্ছি। একসঙ্গে কাজ করবে।’
তিনি এও বলেন, ‘আমরা এখন ইম্পার ইলেকশনের জন্য অপেক্ষা করছি। এখানে প্রোডাকশন বেশি বাড়ানোর জন্য বাংলাতে আরো বাইরে থেকে সকলে আসবে। এখন সবাই শুটিং করতে যায়। কোথায় পাবেন এই লোকেশন? যেখানে পাহাড় আছে, সমুদ্র আছে, জঙ্গল আছে। কোথায় পাবেন?’
মিঠুনের কথায়, ‘সব শান্তিপূর্ণ। আমি সবকিছু চাই। এজন্যই দেখছেন এত কিছু পুলিশ, পুলিশ সব ব্যবস্থা করছি। ঝগড়াঝাটি চাই না ভাই। মারামারি চাই না। এইজন্যই শান্তিপূর্ণভাবে সবকিছু হয়ে গেলে আই’ll be the happiest man।’
এ বিষয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘এখানে সরাসরি কখনও সরকার মাথা গলাতে পারেন না ট্রেড ইউনিয়ন কমিশন বা লেবার কমিশনে। যা নিয়মনীতি রয়েছে সেই অনুযায়ী ইলেকশন হচ্ছে। যারা যারা প্রার্থী হওয়ার যোগ্য কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী সেই অনুযায়ী প্রত্যেকে প্রার্থী হয়েছেন এবং যারা যারা ভোটার তারা ভোট দেবে যাদের লিস্টে নাম এসেছে এবং সেখানে তারা ছাড়া ভেতরে কেউ ঢুকছেন না। সিসিটিভি ক্যামেরা এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশ আছে। যাতে কোনো অপ্রতিকার ঘটনা কিছু তো দুষিত বাতাস থাকে তারা ঘটাবার চেষ্টা করতে পারে। যাতে তা না হয় তাই প্রত্যেকটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মিঠুন চক্রবর্তীর মতো মানুষ তিনিও ভেতরে গেলেন না। কোনো এমপি, এমএলএ, কোনো রাজ্যে কোনো রাজনৈতিক দলেরই কোনো রাজনৈতিক নেতা তারা কেউ ভেতরে যাবেন না। অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন যেখানে স্বরূপ বিশ্বাস ঢুকে পড়েছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হয়ে শুধু আমি নয় বাকি এরাম বহু শিল্পীর সঙ্গে করা হয়েছিল বহু টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে করা হয়েছিল যারা যোগ্য নতুন ফেডারেশন যখন গঠন হয়ে যাবে, তখন এই যে কার্ড বন্ধ করে দেওয়া, বাতিল করে দেওয়া, কার্ড না দেওয়া এই সমস্ত কিছু নিয়মেরই সংশোধন হবে।’