কলকাতা: সবে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ এখনও বাকি। সকলকে নিয়ে এগোবে সরকার। বুধবার রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপনির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিজয়ী হাসিরানি রথ এবং রেজিনগরে জয়ী শাখারভ সরকার এদিন বিধানসভায় শপথ নেন। সেখান থেকেই রাজ্যবাসীকে বার্তা দিলেন শুভেন্দু। জানালেন, সবে ছ’মাস হল সরকারে এসেছেন তাঁরা। আগামী সাড়ে চার বছরে আরও অনেক কিছু করার আছে। (Suvendu Adhikari)

হাসিরানি এবং শাখারভের শপথগ্রহণের পর বক্তৃতা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “বিজেপি-কে সাম্প্রদায়িক বলে সংখ্যালঘুদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হতো। কিন্তু সংখ্যালঘুরা রেজিনগরে বিজেপি-কে ভোট দিয়েছেন। আমি প্রচারে গিয়েছিলাম। চকোলেট কুড়োতে গিয়ে একটি ছোট মেয়ের দুঃখজনক প্রয়াণ হয়। তার বাড়িতে গিয়েছি আমি। নির্বাচন মিটে যাওয়ার পর তার বাড়িতে গিয়েছি আমি। মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ১০ লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছি মেয়েটির মা-বাবার হাতে। এতদিন বিজেপি-কে সাম্প্রদায়িক বলে করে খেয়েছেন আপনারা। রেজিনগরে সেটা ভেঙেচুরে তছনছ হয়ে গিয়েছে। রেজিনগরে ৭০০০০ মহিলা অন্নপূর্ণায় উপকৃত, যার মধ্যে ৩৫০০০ সংখ্যালঘু।” (Suvendu Adhikari on his Government)

আরও পড়ুন: TATA গোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে? এবার ঝাঁঝাল আক্রমণে রাহুল গাঁধী, সরাসরি মোদি-শাহের দিকে আঙুল

শুভেন্দু আরও বলেন, “যাঁরা আমাদের হিন্দুদের দল বলেন…হ্যাঁ আমরা হিন্দু। সনাতনে বিশ্বাস করি। মাথায় টিকা রাখি। সরকার চালানোর ক্ষেত্রে যাকে প্রয়োজন, তাকেই অগ্রাধিকার রেজিনগরে ৭৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শাখারভ সরকার। এর মাধ্যমেই প্রমাণিত যে এই সরকার মাত্র ছ’মাসের মধ্যে সকলের আস্থা অর্জনের দিকে অগ্রসর হয়েছে। এটাতো ব্রেকফাস্ট হচ্ছে সরকারের। এখনও সাড়ে চার বছর আমরা যাব, ৫৪ মাস। ছ’মাস যা দেখেছেন, তা সকালের চা-বিস্কুটের সময়। এখনও ব্রেকফাস্ট হয়নি। লাঞ্চ বাকি আছে। দেখতে থাকুন আমরা কী ভাবে এগোই এবং কী করে মানুষকে যুক্ত করে নিয়ে এগোতে থাকব। নিজেরা লড়ালড়ি করুন আপনারা।”

আরও পড়ুন:  বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে

রাজ্যে এখন প্রধান বিরোধী দল ঋতব্রত তৃণমূল। দলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই চলছে তাদের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঋতব্রত দাবি করেন, তাঁদের হলফনামা ছিনতাই হয়েছে বলে। এদিন তাঁকেও আস্থা জোগান শুভেন্দু। বলেন, “আমি বিরোধী দলনেতাকে বলব, যদি এফআইআর করেন, আমি মামলা সিআইডি-কে দিয়ে দেব। এই ধরনের আইনশৃঙ্খলাজনিত ঘটনা আমাদের রাজ্যে না হওয়াই ভাল।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *