কলকাতা : “নতুন যে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হবে, তাঁরা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না।” এদিন রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?
তিনি বলেন, “আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভারতের কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে থাকেন না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ ক্যাবিনেটে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজকের পর থেকে যে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হবেন, তাঁরা অন্যান্য রাজ্যের মতো প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে…অর্থাৎ পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা, বিধানসভায় লড়তে পারবেন না। প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। যারা ইতিমধ্যে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন, যে অধিকার তাঁরা পেয়েছেন, সেই অধিকার আমরা খর্ব করছি না। অতপর, নতুন যে শিক্ষক-শিক্ষিকা ইত্যাদি নিয়োগ হবেন, তাঁরা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারবেন না। এটা আমরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে আমরা অন্তর্ভুক্ত করলাম ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্য দিয়ে। আমরা চাই, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান…৩৪ বছরের কমিউনিস্ট এবং ১৫ বছরের দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল কংগ্রেস যাদের মাইন্ডসেটটাই ছিল গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করার, সেই জায়গা থেকে শিক্ষার প্রাঙ্গনকে, শিক্ষার মন্দিরকে…শিক্ষক শব্দের যে মর্যাদা, সেটিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় উদ্যোগ। আমরা এটা আজ গ্রহণ করেছি।”