কলকাতা: নতুন করে চর্চায়, ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ (Kala Hiran)। ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটেল ফর লেগ্যাসি’ -র ঝলক প্রকাশ্যে আসার পরেই, শুরু হয়েছে চর্চা। কোথাও সলমন খানের কোনও নাম না নেওয়া হলেও, বিনোদন দুনিয়ার খবরে যাঁরা আগ্রহী, তাদের মনে হচ্ছে এই সিনেমা সলমন খানের সেই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনাকেই তুলে ধরা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই ছবিতে মুখ্যভূমিকায় যে অভিনেতা অভিনয় করছেন, তাঁকে অনেকটাই সলমনের মতো দেখতে বলে মনে করছেন অনেকেই। আর এই সিনেমার ঝলক প্রকাশ্যে আসার পরেই, আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সলমন খান। তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে , এই অভিযোগ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। আর আজ এই মামলার শুনানির পরে, নতুন করে বিপাকে পড়েছে এই সিনেমা। এই ছবির মুক্তি এখন বিশ বাঁও জলে, এমনটাই জানিয়েছেন নির্মাতারা। 

বিশ বাঁও জলে ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটেল ফর লেগ্যাসি’-র মুক্তি

জানা যাচ্ছে, আজকের মামলায় নতুন করে এই সিনেমাটি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। আজকের শুনানিতে আদালত ২ সপ্তাহের মধ্যে সিনেমার নির্মাতাদের কাছে একটি উত্তর চেয়েছেন। এখনও এই সিনেমা সেন্সর বোর্ডের সার্টিফিকেট পায়নি। আর যে কোনও সিনেমা মুক্তির জন্য, সেন্সর বোর্ডের শংসাপত্র সবচেয়ে জরুরি। অন্যদিকে, সলমন খানের আইনজীবী যুক্তি দেন যে, মেকস-এর OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। এই সিনেমার ক্ষেত্রে আদালত ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছে যে, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, এই সিনেমা ওটিটিতেও রিলিজ করা যাবে না। এই মামলার শুনানি, ৩০ সেপ্টেম্বর।

প্রসঙ্গত, এই সিনেমাটির মুক্তি আটকানোর জন্য ইতিমধ্যেই দিল্লি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সলমন খান। ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’-র যে টিজার সামনে এসেছে, সেখানে যে অভিনেতাকে দেখা যাচ্ছে, তাঁকে অবিকল সলমন খানের মতো দেখতে। এই বিষয়টি নিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সলমন খান। তিনি আদালতে উল্লেখ করেছেন যে, ইচ্ছাকৃতভাবে, একেবারে তাঁর মতো দেখতে একজন অভিনেতাকে ব্যবহার করা হয়েছে এই সিনেমায়। এখানেই শেষ নয়, এই কথা সবাই জানেন যে, সলমন খান তাঁর হাতে একটি বিশেষ ব্রেসলেট পরেন বহু বছর ধরে। এটি তাঁর সিগনেচার স্টাইল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সলমনের অভিযোগ, ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ ছবিটায় ইচ্ছাকৃতভাবে ওই অভিনেতার হাতেও একেবারে এক একটি ব্রেসলেট পরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সলমন আরও জানিয়েছেন, এই চরিত্রায়ন করার আগে, তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়নি। ফলে গোটা বিষয়টাকে প্রচার এবং ব্যক্তিত্বের অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন এবং ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা বলেই মনে করছেন সলমন খান। অভিনেতা দাবি করেছেন, এই ছবি মুক্তি পেলে তাঁর ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণে এই সিনেমার প্রচার ও সিনেমার মুক্তি ও বন্ধ রাখা হোক। 

 

আরও পড়ুন: Prabhat Roy: বর্তমান প্রজন্ম অভিনয় দক্ষতার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা নিয়ে বেশি ভাবে: প্রভাত রায়



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *