ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা :  মায়ের খুব ইচ্ছা। সেই সঙ্গে বাড়িতে রয়েছে সরস্বতী পুজোর পরম্পরা। বাবা সব সময় মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েছেন। বাবা চলে যাওয়ার পর মায়ের ইচ্ছেকে সম্মান জানিয়ে ভালবেসে দুর্গাপুজো শুরু করেছেন সঙ্গীত শিল্পী আরমান রাশিদ খান। উস্তাদ রশিদ খানের পুত্র। দ্বিতীয় বছরে পড়ল প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী ‘উস্তাদ রশিদ খানস অ্যাকাডেমি’র দুর্গাপুজো। পারিবারিক উদ্যোগে রীতিনীতি মেনে হল অষ্টমীর পুজো। পুজোর অঙ্গন হাসি-গানে ভরে রইল। উৎসবের আনন্দে ভাসল অনাথ শিশুরাও। মায়ের পুজোর মাঝে জীবসেবার আদর্শকেও ধরে রাখলেন আরমান রাশিদ খান। ‘উস্তাদ রশিদ খানস অ্যাকাডেমি’র দুর্গাপুজোয় গানবাজনা, খেলা ও খাওয়াদাওয়া হল দেদার। গত বছর থেকেই এই পুজো শুরু করেন রশিদপুত্র ও কন্যা। 

আরমান জানিয়েছিলেন , বাবা রশিদ খান বেঁচে থাকতেই  বাড়িতে সরস্বতীপুজো, গণেশপুজো হয়েছে। ২০২৫ সালে  মা জয়িতা বসু খানের ইচ্ছেতে শুরু হয়েছে দুর্গাপুজো। একেবারে রীতি-আচার মেনে। পুজোর জাঁকজমক, আলো যেন সকলকে স্পর্শ করে যায়, সেই ভাবনা থেকেই তাঁদের উদ্যোগে যুক্ত করেছেন অনাথ শিশুদেরও। গত বছরের মতো এ বছরও মহাষ্টমী পুজোর অংশ হয়ে ওঠে বেশ কিছু অনাথ শিশু।   সারাদিন তাদের জন্য ছিল বিভিন্ন রকম আনন্দ-আয়োজন। খেলাধুলা, গানবাজনা ও খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা।  আরমান বলছেন, যেটুকু ভাল কাজ আজ তাঁরা করছেন পুরোটাই প্রয়াত উস্তাদ রশিদ খানের জন্য। তিনিই প্রথম সরস্বতী পুজো  শুরু করেছিলেন। সেই ভাবনা থেকেই দুর্গাপুজো শুরু । সঙ্গীত শিল্পীর স্ত্রী জয়িতা বসু খান বলছেন, দুর্গাপুজো বহুপ্রাচীন। বাপেরবাড়িতে ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। সেই পরম্পরাকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে চান তিনি। আর তাঁর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তাঁর দুই ছেলে মেয়ে। 

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *