কোলাঘাট : কোলাঘাটে ‘চাঁদার জুলুমবাজির’ অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, এনিয়ে ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপি বিধায়কের নাম থাকা বিল দিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছে। কোলাঘাটের দেউলিয়ার ‘শতদল পুজো কমিটি’র বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। কোলাঘাটের ক্লাবের চাঁদার বিলে চেয়ারম্যান হিসেবে পাঁশকুড়া পূর্বের বিজেপি বিধায়কের নাম রয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করার পাশাপাশি এসব কোনও ভাবে বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মাইতি।

কোলাঘাটের ব্যবসায়ী সাদেক আলি দত্ত বলেন, “আমাকে জেলা থেকে এই নাম আছে…সুব্রত চেয়ারম্যান…ওঁর লোক ৮-১০ জন এসে আমার ২৫ হাজার টাকা…মানে ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে। না দিলে দোকান তুলে দেব, এরকম হুমকি দিয়ে গেছে। আমি কালকে বলেছিলাম হাজার টাকা দেব। আমি বেশি দিতে পারব না। এই খালি…আমাকে হুমকি দিয়ে গেছে। বলে, আমাদের মানে এসব জায়গা আমাদের মাঝে মাঝে দিতে হবে টাকা…এরকম বলে গেছে।” হোটেল কর্মী পূর্ণিমা মান্না বলেন, “১০ হাজার টাকা বিল কেটে গেছে। কিছু বলেনি। এমএলএ পাঠিয়েছে বলেছে। দেউলিয়ায় নতুন পুজো হবে। ১০ হাজার টাকা বিল কেটে গেছে । বলেছে চাঁদা।”

যদিও বিজেপি বিধায়ক বলেছেন, “কোলাঘাট ব্লকের অনেক পুজোতেই আমাকে সভাপতি বা চেয়ারম্যানের জায়গায় রেখেছে নামটা। আমার পক্ষে তো সম্ভব নয় কোন কোন জায়গায় কীভাবে চাঁদা কাটা হচ্ছে…সেটা আমার পক্ষে কখনোই জানা সম্ভব নয়। আমার কাছে এই বিষয়টা এসেছে যে দেউলিয়ায় একটা পুজো কমিটি আছে শতদল…ওই শতদল কিছু কিছু মানুষের কাছে চাঁদা কেটেছে এবং চাঁদার অ্যামাউন্ট হয়তো একটু বেশি। কোনও মানুষ বা ওই কমিটির যদি কিছু মানুষ কোনওভাবে মানুষের উপর জোরজবরদস্তিভাবে চাঁদা কাটে তারজন্য আমরা অবশ্যই সঠিক ব্যবস্থা নেব। কালকের মধ্যেই আমরা আমাদের যে কমিটি আছে, সেই কমিটির মধ্যে আমরা একটা মিটিং করব। মিটিং করে ওদের উপর দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেব।”  

প্রসঙ্গত, ‘বিধায়কের নামে তোলাবাজি করলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে পেটাব’ বলে তোলাবাজি বন্ধ করতে দিনকয়েক আগে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক। ‘বিধায়কের নাম করে কেউ টাকা চাইতে এলে কানের গোড়ায় থাপ্পড় দেবেন। তারপরে বলবেন বিধায়ককে ডেকে নিয়ে আয়’, কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন মেমারির বিজেপি বিধায়ক মানব গুহ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *