নয়াদিল্লি: বস্তারে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে দীপাবলি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় দেশবাসী, আজকে পুরো দেশ, পৃথিবীর নানাপ্রান্তে বসবাসকারী ভারতীয় উৎসব উদযাপন করছে। দূর দূর থেকে ভারতীয়রা নিজেদের ঘরে পৌঁছচ্ছেন। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা হওয়ার এ   এক মহোৎসব।আর আমিও দীপাবলি উদযাপন করতে, আপনাদের মাঝে পৌঁছে গিয়েছি। সীমান্তে এবং দেশের ভিতরে, রাষ্ট্রের রক্ষাকারীরা, রাষ্ট্রের প্রহরী,  আপনারা সবাই আমার নিজের মানুষ।আপনারা সবাই আমার পরিবারের অংশ। হিমালয়ের কোলে কার্গিল থেকে লেপচা অবধি, সমুদ্রের কিনারা থেকে মধ্যভাগে আইএএন বিক্রান্ত অবধি, বীর জওয়ানদের সঙ্গে প্রতিটা দীপাবলি,আমার জন্য স্মরণীয়  হয়ে রয়েছে।আমার বীর জওয়ানেরা, এবার আমি দীপাবলি উদযাপন করতে. বস্তারের জঙ্গলে এসেছি।’

আরও পড়ুন, কালীঘাটে ধুন্ধুমারকাণ্ডে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে FIR, পুলিশকে চড় মারার অভিযোগে গ্রেফতার ২

মাওবাদী সমস্যা নিয়ে নাম না করে কংগ্রেসকে এদিন নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বস্তারে একসময় নকশালদের আতঙ্ক ছিল..বস্তারে এখন উন্নয়নের জোয়ার। দেশ সুরক্ষিত থাকলে বাইরের শত্রুরা চোখ তুলে তাকাতে পারে না। মাওবাদী সন্ত্রাস খতম হয়েছে, এখন ছত্তীশগড়ে শুধুই উন্নয়ন.. আগে এখানে সন্ধে নামলেই আতঙ্ক নেমে আসত। ভোটদানের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল নকশালরা। একটা সময় দেশের ২০টি রাজ্যে নকশালদের প্রভাব ছিল। জওয়ানের কাছে দেশবাসী ঋণী। মাওবাদীদের থেকে ভয়মুক্ত ভারতের একাধিক জেলা। মাওবাদীদের থেকে ভয়ে বেরিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ। দেশের সুরক্ষায় জওয়ানদের আত্মবলিদানকে কুর্নিশ। মাওবাদ, নকশালবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম জারি থাকবে। ঠান্ডা ঘরে বসে থাকা নামদারদের কোনও হেলদোল ছিল না। মাওবাদী মোকাবিলায় হাত, পা গুটিয়ে বসে থাকত আগের সরকার। আগের সরকার মাওবাদী সমস্যাকে রোগ হিসাবে দেখত।…বামপন্থী উগ্রবাদের সমর্থন আমরা শেষ করেছি। আগে মাওবাদী খতম কম হত, বেশি প্রাণ যেত জওয়ানদের। গত সরকার জওয়ানদের হাত, পা হ বেঁধে রেখেছিল। দেশের সুরক্ষায় একাধিক পদক্ষেপ করেছে সরকার।’

(স্টোরিটি এই মুহূর্তে ব্রেক করা হয়েছে, আপডেট করা হচ্ছে I সাম্প্রতিকতম আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন)



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *