তোর্ষা ভট্টাচার্য, কলকাতা: এতদিন তিনি বলিউডে পা জমিয়েছেন, পরিচালক হিসেবে। তাঁর পরিচালিত সিনেমা, জনপ্রিয়তা পেয়েছে, ব্যবসাও করেছে। তবে এবার, পরিচালনার পাশাপাশি, একেবারে নতুন ভূমিকায়, পরিচালক পাভেল (Pavel)। সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘ডাক্তারকাকু’ ছবিতে, অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন পাভেল। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) ও ঋদ্ধি সেন (Riddhi Sen) অভিনীত এই ছবিতে ঋদ্ধির বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন পাভেল। আর ছবি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই প্রশংসায় ভাসছেন পরিচালক। পরিচালনার পাশাপাশি, প্রশংসিত হচ্ছে তাঁর অভিনয় ও!

পরিচালনার পাশাপাশি, প্রথমবার অভিনয়ে, কী অভিজ্ঞতা পাভেলের?

এবার কি পরিচালনা ছেড়ে, পুরোদমে অভিনয়ই শুরু করবেন পাভেল? এবিপি লাইভ বাংলার প্রশ্নের উত্তরে পাভেল হাসতে হাসতে বললেন, ‘না একেবারেই না। পরিচালনা আমার কাজ, আমার ভালবাসা। ওটা ছাড়তে পারব না। তবে ‘ডাক্তারকাকু’ মুক্তির পরে, আমার জীবন বদলাতে চলেছে, এটুকু বুঝতে পারছি। অভিনেতা হিসেবে কাজের অফার পাচ্ছি। তবে এখনই সময় দিতে পারছি না, বলেছি চিত্রনাট্য পড়ে জানাব। তবে আগে আমি পরিচালনার বাইরে অনেক কিছুতে যুক্ত থাকতাম। যেমন ধরুন,, খেলা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরেও দিনের বেশ অনেকটা সময় কাটিয়েছি। তবে এখন আর সেটা হবে না মনে হয়। পরিচালনার কাজের পাশাপাশি, অভিনয়ের দিকটাতেও শান দেওয়ার ইচ্ছা আছে।’

ছবি মুক্তির পরে, হল ভিজিটে যাওয়া তো একটা রীতি দীর্ঘদিন থেকেই। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দর্শকদের কেমন প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন তিনি? পরিচালক বলছেন, ‘অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেদিন একটা হলে যখন ঢুকলাম, সবার চোখে জল। একজন বয়স্ক মহিলা বললেন, ‘বাবা.. চোখে জল এসেছিল। তোমায় হাসতে দেখে আবার মুখে হাসি ফুটল।’ আবার অন্য একটি হলে গিয়ে, এক ঝাঁক খুদে দর্শক পচা, পচা বলে চিৎকার করে উঠেছে। অনেকেই আমায় ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ছবিটায় আমার অভিনয়ের প্রশংসা জানিয়েছেন। এগুলোই তো পাওয়া।’

ঋদ্ধি সেন জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম বড় নাম, জাতীয় পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতেও … এমন অভিনেতাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করতে গিয়ে কী সমস্যা হয়েছিল পাভেলের? পরিচালক অভিনেতা বলছেন, ‘এই ছবিতে পচার চরিত্রে আমিই অভিনয় করব, এটা আমার ভীষণ সচেতন সিদ্ধান্ত ছিল। একমাত্র আমিই সিনেমার সমস্তটা জানতাম। তাই এই চরিত্রটা অন্য কাউকে বোঝানোর চেয়ে, নিজে অভিনয় করাটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, আমি পারব। তবে একদিকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অন্যদিকে ঋদ্ধি সেন.. অভিনয়টা করতে না পারলে, এটাই আমার কেরিয়ারের শেষ অভিনয় হত। তবে ছবি মুক্তির পরে মনে হয়েছে, আমি পেরেছি।’

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *