মুম্বই: সংসারী হয়েও সংসার হয়নি একজনের। আবার ৬০ পেরিয়েও একাকী অন্য জন। বহু বছর পর ‘কফি উইথ করণে’ ফের এক ফ্রেমে পাওয়া গেল করিশ্মা কপূর এবং সলমন খানকে। এত বছর পর তাঁদের রসায়ন আবারও মন জিতে নিয়েছে নেটিজেনদের। আর তাতেই দু’জনকে একসঙ্গে দেখতে চাওয়ার দাবি উঠছে। তবে সিনেমার পর্দায় নয়, করিশ্মা এবং সলমনকে বিবাহবন্ধনে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করছেন তাঁদের অনুরাগীরা। (Salman-Karisma Chemistry)

পরিচালক কর্ণ জোহরের টক শো ‘কফি উইথ করণে’র নবতম সিজ়নের একেবারে প্রথম এপিসোডে অতিথি হন সলমন। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আবির্ভাব ঘটে করিশ্মার। নয়ের দশকে দু’জনের জুটি ভীষণ জনপ্রিয় ছিল। এত বছর পর ‘কফি উইথ করণে’ও তাঁদের জমজমাট রসায়ন মন জিতে নিয়েছে সকলের। এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দু’জনের চারহাত এক হতে দেখতে চেয়ে সরব হয়েছেন অনেকেই। (Koffee With Karan)

এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘সলমন এবং করিশ্মাকে দেখে মনে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী। কেন বিয়ে করছেন না ওঁরা?’ অন্য আর একজন লেখেন, ‘আমার প্রিয় ‘শিপ’, যা গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। সলমন এবং করিশ্মা, প্লিজ বিয়ে করে নিন আপনারা’। তৃতীয় এক নেটিজেন লেখেন, ‘এত বছর পর সলমন-করিশ্মাকে একসঙ্গে দেখলাম। নস্ট্য়ালজিয়া। ওঁদের রসায়ন একেবারে অন্য় রকমের ছিল। সেই তুলনায় অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে চর্চায় আসেননি’।

নয়ের দশকে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন করিশ্মা এবং সলমন। নিজের প্রিয় সহ-অভিনেত্রী বলতে আজও করিশ্মার নামই নেন সলমন। ‘কফি উইথ করণে’ করিশ্মাকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর নেপথ্যে তাঁদের রসায়ন অন্যতম কারণ বলে জানান কর্ণও। সেখানে ক্যামেরার সামনে একেবারে অন্য রূপে দেখা যায় করিশ্মা এবং সলমনকে। খুনসুটি করতে দেখা যায় যেমন, তেমনই দু’জনের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়াও নজর কাড়ে সকলের।

‘কফি উইথ করণে’ করিশ্মা জানিয়েছেন, বরাবরই পরস্পরের কাছের বন্ধু তাঁরা। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও পরস্পরকে তাঁরা পরামর্শ দিতেন বলে জানান। সলমন জানান, তাঁর একটি প্রেমিকাকেও পছন্দ ছিল না করিশ্মার। অন্য দিকে, করিশ্মা জানান, একটি সম্পর্ক নিয়ে তাঁকে সতর্ক করেছিলেন সলমন। তিনিও সলমনকে সতর্ক করেছিলেন। করিশ্মা এবং সলমনের গভীর বন্ধুত্বের কথা আগেও সামনে এসেছে। তবে এই প্রথম তার সাক্ষী হলেন অনুরাগীরা। আর তাতেই দু’জনের চারহাত এক হতে দেখতে চাইছেন সকলে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *