গভীর রাতে আগুন। ঘুম থেকে উঠে আতঙ্কিত আবাসিকরা। ধোঁয়ায় দিশাহারা, দম আটকে অসহায় মৃত্যু। ছিল না অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, অভিযোগ আবাসিকদের। এক ভবনের মধ্যেই বহু হোটেল-গেস্ট হাউস। ঢোকা-বেরনোর রাস্তা একটাই। ছিল না ইমার্জেন্সি এক্সিট, দাবি আবাসিকদের। কার অনুমতিতে চলছিল বেআইনি কারবার? উঠছে প্রশ্ন। দমকলের সদর দফতরের নাকের ডগায় থাকায় হোটেলে আগুন। দীর্ঘদিন ধরে চলা হোটেলে দমকলের কোনও বিধিই মানা হচ্ছিল না বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন- নিউ মার্কেটে হোটেলে অগ্নিকাণ্ড। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মহম্মদ খালেদ বলেন,’ আমি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি, এখনও পর্যন্ত জানিয়েছে ৯জন মারা গিয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডে। তার মধ্যে একজনকে শনাক্ত করা গিয়েছে। উনি ঝাড়খণ্ডের অধিবাসী। আর বাকি ৮ জনকে তাঁরা এখনও শনাক্ত করতে পারেনি। তাঁরা ধারনা করছেন, ৮ জনই বাংলাদেশি। এর মধ্যে ২জন মহিলা আছে আর ১জন শিশু আছে। এখন পুলিশ মর্গে রয়েছে লাশ। এখনও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলছে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হলে আমরা জানতে পারব। যাঁরা আহত হয়েছে, তাঁদের জন্য দূতাবাস ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। আমরা তাঁদের আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। ডেডবডিগুলো শনাক্ত করা হয়ে গেলে, আমরা অতি সত্ত্বর বাংলাদেশে ফেরত পাঠাব।’