কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা: লাগাতার বোমা ফাটাচ্ছেন মদন মিত্র।এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অঙ্ক নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি। এবিপি আনন্দ-কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তুললেন অভিষেক প্রসঙ্গ।
“বিনয় মিশ্র ঘরে ফেরে নাই, অভিষেক কী করবে, আমি জানি না”
এদিন মদন মিত্র বলেন, সুমিত (অভিষেকের পিএ সুমিত রায়) চলে যাবার পর, অভিষেক কবে আসবেন, আমি জানি না, সেটা কোর্টের ব্যাপার। তবে মেঘনাদের মত তাঁকে আমাদের বুঝে নিতে হবে। …বিনয় মিশ্র ঘরে ফেরে নাই। অভিষেক কী করবে, আমি জানি না। অভিষেক কি ফিরবে ? আমি জানি না (হেসে), কী সিস্টেম ওদের ? নিউ জার্সির কী সিস্টেম ? দুবাইয়ের কী সিস্টেম ? লন্ডনের কি সিস্টেম ?.. মানুষের থেকে তোলা হয়েছে, লুঠ করা হয়েছে, চাকরি দেওয়ার নামে, কয়লার নামে, গরুরু নামে, কর্মসংস্থানের নামে, শিক্ষক নিয়োগের নামে..
এবিপি আনন্দ : পরিমাণ কত বললেন ?
মদন মিত্র : প্রায় ২ লক্ষ ১৭ হাজার কোটি। এখনও অবধি আমাদের কাছে যা খবর আছে। আরেকটা কথা কেউ যেটা বলছেন না…
এবিপি আনন্দ : আছে কোথায় টাকাগুলি ?
মদন মিত্র : সেটাই বলছি। এই কাজটা, আলিবাবা ও ৪০ চোর লাগে। আলিবাবা একা পারে না। তেমনি এই যে বিরাট কর্মকাণ্ড, চুরির এবং ডাকাতির, এটা অভিষেক একা পারতো না কোনওদিনই। পুলিশের একটা বড় অংশ এবং আমলাদের, তাঁরা প্রত্যক্ষভাবে এর সঙ্গে জড়িত।
তৃণমূলের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অঙ্ক নিয়ে বিস্ফোরক দাবি তুলে মদন মিত্র বলেন, ‘এখনও অবধি যে টাকা ফ্রিজ হয়েছে, তৃণমূলের টাকা বলে, এটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র। এখনও ঘেটেঘুটে ঠিকমতো ভারতবর্ষের পৃথিবীর সব পাহাড় আর গুহা অভ্যন্তরে খুঁজলে অন্তত ২ লক্ষ ১৭ হাজার কোটি টাকার মতো টাকা। টাকা টাকা টাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের টাকা। হরিশ মুখার্জি রোড, কালীঘাট রোডের সবই তৃণমূলের। মানুষের থেকে তোলা হয়েছে। লুঠ করা হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে, কয়লার নামে, গরুর নামে। এমপ্লয়মেন্ট প্লেসমেন্টের নামে। শিক্ষক নিয়োগের নামে। প্রায় ২ লক্ষ ১৭ হাজার কোটি।কেন আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তাদের বিরুদ্ধে কমিশন করছেন না? আমি জানতে চাইছি একজন বিধায়ক হিসেবে।’