বরাবরই জাগ্রত নৈহাটির বড় মায়ের পুজো। এবার সম্পূর্ণ হল ২০২৬ সালের কাঠামো পুজো। নাড়ু, বাতাসা, ফুল, দুধ-সহ নানা সামগ্রী দিয়ে সাড়ম্বরে সারা হল কাঠামো পুজোর নিয়ম রীতি।

বরাবরই জাগ্রত নৈহাটির বড় মায়ের পুজো। এবার সম্পূর্ণ হল ২০২৬ সালের কাঠামো পুজো। নাড়ু, বাতাসা, ফুল, দুধ-সহ নানা সামগ্রী দিয়ে সাড়ম্বরে সারা হল কাঠামো পুজোর নিয়ম রীতি।

পুজো কমিটি জানিয়েছেন কোজাগরি লক্ষ্মী পুজোর দিন কাঠামো পুজো হয়। মাতৃ প্রতিমা তৈরি শুরু হয়, দুপুর ১২ টায়,  কালী পুজোর আগে দুদিন আগে প্রতীমা তৈরির কাজ শেষ হয়। তবে এই পুজোতে কোনও পশু বলি প্রথা নেই।

পুজো কমিটি জানিয়েছেন কোজাগরি লক্ষ্মী পুজোর দিন কাঠামো পুজো হয়। মাতৃ প্রতিমা তৈরি শুরু হয়, দুপুর ১২ টায়, কালী পুজোর আগে দুদিন আগে প্রতীমা তৈরির কাজ শেষ হয়। তবে এই পুজোতে কোনও পশু বলি প্রথা নেই।

বড় মায়ের পুজো শুরু করেছিলেন, প্রায় ১০০ বছর আগে স্বর্গীয় ভবেশ চক্রবর্তী মহাশয়। জানা যায়, সেসময়  তিনি নবদ্বীপ শান্তিপুরে রাশের মেলা দেখতে গিয়েছিলেন। সেইসময় ঠাকুর দেখে বাড়ি ফিরে আসার পর একট ঘটনা ঘটে।

বড় মায়ের পুজো শুরু করেছিলেন, প্রায় ১০০ বছর আগে স্বর্গীয় ভবেশ চক্রবর্তী মহাশয়। জানা যায়, সেসময় তিনি নবদ্বীপ শান্তিপুরে রাশের মেলা দেখতে গিয়েছিলেন। সেইসময় ঠাকুর দেখে বাড়ি ফিরে আসার পর একট ঘটনা ঘটে।

স্বর্গীয় ভবেশ চক্রবর্তী স্বপ্নে মাকে দেখেন। মূলত তিনি আগে থেকেই বাড়িতে মায়ের পুজো দিতেন। কিন্তু স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর, বড় মায়ের পুজো শুরু করেন।

স্বর্গীয় ভবেশ চক্রবর্তী স্বপ্নে মাকে দেখেন। মূলত তিনি আগে থেকেই বাড়িতে মায়ের পুজো দিতেন। কিন্তু স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর, বড় মায়ের পুজো শুরু করেন।

জানা যায়, প্রথমে এই পুজো ছিল মূলতই বাড়ির পুজো। পরে তা সার্বোজনীন হিসেবে অগ্রাধিকার পায়। মায়ের প্রতিমা প্রতিষ্ঠার পর দেখতে দেখতে চলতি তা আনুমানিক ১০৩ বছরে পা দিল।

জানা যায়, প্রথমে এই পুজো ছিল মূলতই বাড়ির পুজো। পরে তা সার্বোজনীন হিসেবে অগ্রাধিকার পায়। মায়ের প্রতিমা প্রতিষ্ঠার পর দেখতে দেখতে চলতি তা আনুমানিক ১০৩ বছরে পা দিল।

শোনা যায়, পুজোর দিন মা এখানে আসেন। মা যে ঘোরাফেরা করছেন, অনেক জায়গায় নুপুরের আওয়াজ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি ভক্তদের।

শোনা যায়, পুজোর দিন মা এখানে আসেন। মা যে ঘোরাফেরা করছেন, অনেক জায়গায় নুপুরের আওয়াজ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি ভক্তদের।

অতীতে মন্দিরের ভিতরের বেশ কয়েকটি গাছ ছিল। এদিকে সেই গাছ কাটতে যান কিছু মানুষ। এরপরেই ঘটে যায় আরও একটি ঘটনা।যারা মন্দির প্রাঙ্গনে গাছ কাটতে গিয়েছিলেন, তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। জানা যায়, এরপর তারা বড় মায়ের চরণে যান। মায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে শেষঅবধি সুস্থ হন।

অতীতে মন্দিরের ভিতরের বেশ কয়েকটি গাছ ছিল। এদিকে সেই গাছ কাটতে যান কিছু মানুষ। এরপরেই ঘটে যায় আরও একটি ঘটনা।যারা মন্দির প্রাঙ্গনে গাছ কাটতে গিয়েছিলেন, তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। জানা যায়, এরপর তারা বড় মায়ের চরণে যান। মায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে শেষঅবধি সুস্থ হন।

এবার তাঁদের পুজোয় মায়ের জন্য ভোগে থাকবে নৈবেদ্য, খিচুড়ি, ৫ মিশালি, পোলাও, আলুরদম, চাটনি, পায়েস, মিষ্টান্ন। অপরদিকে চলতি বছরের পুজোয় শিব ঠাকুরকে ভোগে দেওয়া হবে সাদা ভাত, লুচি, মিষ্টান্ন বলে জানিয়েছেন পুজোর কর্মকর্তারা।

এবার তাঁদের পুজোয় মায়ের জন্য ভোগে থাকবে নৈবেদ্য, খিচুড়ি, ৫ মিশালি, পোলাও, আলুরদম, চাটনি, পায়েস, মিষ্টান্ন। অপরদিকে চলতি বছরের পুজোয় শিব ঠাকুরকে ভোগে দেওয়া হবে সাদা ভাত, লুচি, মিষ্টান্ন বলে জানিয়েছেন পুজোর কর্মকর্তারা।

পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে,  মাকে কোনও মাটির গয়না পরানো হয় না। পুরোটাই সোনা এবং রুপোর অলঙ্কারে সাজানো হয়। মূলত ভক্তদের দেওয়া গয়না দিয়েই মাকে পুরোপুরি সাজিয়ে তোলা হয়। এবার মাকে সোনার সীতাহার দিয়ে সাজানো হবে। এবং হীরের টিপ পরানো হবে।

পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, মাকে কোনও মাটির গয়না পরানো হয় না। পুরোটাই সোনা এবং রুপোর অলঙ্কারে সাজানো হয়। মূলত ভক্তদের দেওয়া গয়না দিয়েই মাকে পুরোপুরি সাজিয়ে তোলা হয়। এবার মাকে সোনার সীতাহার দিয়ে সাজানো হবে। এবং হীরের টিপ পরানো হবে।

মায়ের পুজোর ভোগ কখন পাওয়া যাবে ? পুজোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ৮ নভেম্বর রাত দুটোর পর থেকে ভোগ বিতরণ করা হবে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে। পরে প্রচারের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া ওই নির্দিষ্ট স্থানের ঠিকানা এবং যাবতীয় সবকিছু।

মায়ের পুজোর ভোগ কখন পাওয়া যাবে ? পুজোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ৮ নভেম্বর রাত দুটোর পর থেকে ভোগ বিতরণ করা হবে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে। পরে প্রচারের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া ওই নির্দিষ্ট স্থানের ঠিকানা এবং যাবতীয় সবকিছু।

পুজোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বড় কালীর পুজো সবার প্রথমে শুরু হয় এবং তারপরে বাকি সব জায়গায় পুজো শুরু হয়। প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রেও তাই। সেক্ষেত্রেও এই পুজো সবার আগে স্থান পায়, তারপর বাকি পুজো কমিটিগুলি তাঁদের প্রতিমা নিরঞ্জন করে।

পুজোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বড় কালীর পুজো সবার প্রথমে শুরু হয় এবং তারপরে বাকি সব জায়গায় পুজো শুরু হয়। প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রেও তাই। সেক্ষেত্রেও এই পুজো সবার আগে স্থান পায়, তারপর বাকি পুজো কমিটিগুলি তাঁদের প্রতিমা নিরঞ্জন করে।

প্রতিবছরই এখানের পুজোয় ভক্তদের রেকর্ড ভিড় হয়। তবে এবার যেহেতু দুর্গাপুজোর সময় চোরবাগানে একটি দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাই এবার সব দিক থেকে সতর্ক এই পুজো কমিটি। তাঁরা জানিয়েছেন, পুলিশ প্রশাসন সবদিক থেকে প্রস্তুত।

প্রতিবছরই এখানের পুজোয় ভক্তদের রেকর্ড ভিড় হয়। তবে এবার যেহেতু দুর্গাপুজোর সময় চোরবাগানে একটি দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাই এবার সব দিক থেকে সতর্ক এই পুজো কমিটি। তাঁরা জানিয়েছেন, পুলিশ প্রশাসন সবদিক থেকে প্রস্তুত।

Published at : 27 Oct 2026 07:54 PM (IST)

আরও জানুন জেলার



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *