নয়াদিল্লি : পাকিস্তানে একশো বছরের বেশি পুরনো হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধিক্কার জানাল ভারত। ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের জন্য পাকিস্তান সরকারকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলল কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক। এর পাশাপাশি পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নাগরিক ও তাঁদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার কথা বলা হল ভারতের তরফে। India on Pakistan
প্রেক্ষাপট…
গত ২১ অগাস্ট পাকিস্তানের পাঞ্জাবের নারোয়ালে মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেখানে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা পাকিস্তান মসিহা মিল্লাট পার্টির তরফে বলা হয়েছে, একদল লোক মন্দিরটি ভেঙে দিয়েছে। এমনই খবর প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের প্রথম সারির দৈনিক সাংবাদমাধ্যম ‘ডন’।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘুদের একটি সংগঠন বলেছে, সংলগ্ন একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণে জায়গা করে দিতে মন্দিরটি ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। তারা সেটির পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।
MEA Official Spokesperson’s response to media queries regarding reported demolition of a century-old Hindu temple in Pakistan | “We have noted with deep concern the disturbing reports of the destruction of a historic Hindu temple in village Siraj, Narowal, Pakistan. We… pic.twitter.com/HGVa1TMDuQ
— ANI (@ANI) September 2, 2026
এ প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের…
এনিয়ে প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের বক্তব্য, “পাকিস্তানের নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির ধ্বংসের উদ্বেগজনক খবরটি আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতবর্ষ পুরনো একটি উপাসনালয়ের ওপর চালানো এই নিন্দনীয় ভাঙচুরের ঘটনাকে আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধিক্কার জানাই। কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান উদাসীনতা এবং শতাব্দীপ্রাচীন এই মন্দিরটি রক্ষায় ব্যর্থতা উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অব্যাহত অরক্ষিত অবস্থা এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়গুলির ওপর চরম লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেয়।”
আরও সংযোজন, “আমরা পাকিস্তান সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা এই ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করে এবং দোষীদের পূর্ণ জবাবদিহিতার আওতায় আনে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের জন্য পাকিস্তান সরকারকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দেশের সকল সংখ্যালঘু নাগরিক ও তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার যে মৌলিক দায়িত্ব রয়েছে, তা পালন করতে হবে।”