সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি : চিনা মাঞ্জায় মরণফাঁদ। ওত পেতে ছিল বিপদ। ব্যান্ডেল শরৎ সরণিতে চিনা সুতোয় গলা কেটে গুরুতর জখম হলেন এক বাইক চালক। অল্পের জন্য প্রাণ রক্ষা পেলেও আতঙ্কে জড়োসড়ো হয়ে গেছেন তিনি। চিকিৎসার জন্য তাঁকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিস্তারিত…

হারাধন আচার্য। পুরোহিত। এদিন বাইক চালিয়ে হুগলির চুঁচুড়া থেকে ব্যান্ডেলের দিকে যাচ্ছিলেন তালডাঙার এই বাসিন্দা। শরৎ সরণির জি টি রোডে আড়াআড়িভাবে পড়েছিল ঘুড়ির সুতো। দেখতে পাননি তিনি। 

গলায় লাগতেই বেশ কিছুটা কেটে যায় তাঁর। রক্ত ঝরতে থাকে। কিছু একটা হয়েছে বুঝতে পেরে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পিছনে ছিলেন এক স্কুটার চালক। তিনিও দাঁড়িয়ে পড়েন। ঘুড়ির চিনা সুতো টেনে জড়ো করেন একজন। নাহলে আরও অনেকের বিপদ হতে পারত।

জখম ব্যক্তি বলেন, “ব্যান্ডেলে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ গলায় টান লাগল। বুঝতেই পারিনি এতটা কেটে গেছে। এত ধার এই সুতোয়।” অন্যদিকে, স্কুটার চালকের প্রশ্ন, “মানুষ কবে সচেতন হবে ?” 

কয়েক বছর আগে শহরে মা ফ্লাইওভারের ওপর, চিনা মাঞ্জায় জখম হয়েছেন একের পর এক বাইক আরোহী। আর বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে প্রগতি ময়দান থানা এলাকার ওপরের অংশে। এমনই দাবি করেছিল কলকাতা পুলিশ সূত্র। যেমন, পাপ্পু কুমার ঝা। লিলুয়ার বাসিন্দা, ওই যুবক রাখির দিন (২০২১ সালে) দিদির বাড়িতে যাচ্ছিলেন  রাখি পরতে। মা ফ্লাইওবারের ওপর আচমকা দুর্ঘটনা ঘটে। মাঞ্জা সুতোয় জড়িয়ে পিছলে পড়ে যান তিনি। চোখ, নাক কেটে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মাঞ্জার সুতোয় এতটাই ধার ছিল, যে হেলমেটের ওপরও দাগ বসে যায়। চিনা মাঞ্জায় জখম যুবক পাপ্পু কুমার ঝা বলেছিলেন, “আমি বাইক চালিয়ে আসছিলাম। তখনই নাকের ওপর কেটে যায়। মাঞ্জায় জড়িয়ে যায়।” এককথায়, মা উড়ালপুলে বারবার চিনা মাঞ্জায় বিপদ বেড়েছে।

রাজ্যে দুর্ঘটনা…

এদিকে শনিবার সকালে মা ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মা ফ্লাইওভারে ২টি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় এবং এই দুর্ঘটনায় জখম হন ৩ জন। জানা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি লেন ভেঙে একটা গাড়ি ঢুকে পড়ে পাশের লেনে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার টপকে লেন বদলে অন্য গাড়িতে ধাক্কা মারে ওই প্রথম গাড়িটি। তপসিয়ার কাছে মা ফ্লাইওভারে শনিবার সকাল ৮টা নাগাদ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানা যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *