কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, নয়াদিল্লি: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এবার আন্দোলনের গতিপথ কোনদিকে মোড় নেবে ? তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে প্রস্তুতি বৈঠক। চা চক্রে আমন্তিত রয়েছেন ইন্ডি জোটের সদস্যরা। এর পাশাপাশি ছাত্র সংগঠনগুলিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। উপস্থিত হয়েছেন এম এ বেবি, শশী থারুর, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, রাজীব শুক্ল, শুভঙ্কর সরকাররা। চা-চক্রে যোগ দিয়েছেন আইসার নেহা বোরা ও মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্র। উপস্থিত রয়েছেন ঐশী ঘোষও। এদিন এবিপি আনন্দ-কে বিশেষ সাক্ষাৎকার দিলেন এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ।

আরও পড়ুন, জ্ঞানেশ কাণ্ডে দিল্লিতে কাছাকাছি সিপিএম ও মমতা, কোন পথে রাজ্য নেতৃত্ব ?

গতকাল দিল্লিজুড়ে একটা জন-প্লাবন দেখা গিয়েছিল। সাধারণ মানুষ, কংগ্রেস কর্মী, ইন্ডি জোটের সাংসদরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, তারা আন্দোলনে নেমেছেন। এবার বিরোধী ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ছবিটা, আমরা দেখতে পাচ্ছি আগামী দিনে, কীভাবে অটুট রাখা যায়, কীভাবে আন্দোলন এবং দাবি পূরণের জন্য কীভাবে রণনীতির কৌশল ঠিক করতেই আজকের এই চা-চক্র। জানা গিয়েছে, এই চা-চক্রের পর রাহুল গান্ধী এবং অন্যান্য ইন্ডি জোটের সদস্যদের পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করবেন, যে আগামী দিনে আন্দোলন কোনপথে যাবে। 

এবিপি আনন্দ: আজকের বৈঠক কেন এবং এরপর কী ?

এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ:  আজকের বৈঠক এই জন্যই, যে সমস্ত সিভিল সোশাইটির ছাত্র সংগঠন, গত কয়েকদিন ধরে আমরা রাস্তায়, এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। তাই জন্যই, যে একটা স্ট্যাটেজি নিয়ে, আমরা কালেকটিভলি আরো বড় আন্দোলন কীকরে চালিয়ে যেতে পারব..আমরা বলেছি, কালকে মিনিস্ট্রি অব হোম এফেয়ার্সের থেকে যন্তর মন্তরকে ডিনোটিফাই করা হয়েছে। এবং আমরা তারপরে স্টেটমেন্ট দিয়েছি, আমরা যন্ত্রর মন্তর রিক্লেম করব। আগামীদিনে যদি আমরাদের সেটা রিক্লেম করতে হয়, উই নিড অল ফোর্সেস টুগেদার। আমাদের সব শক্তিকে একত্রিত হয়ে যন্তর মন্তরকে রিক্লেম করতে হবে। সেই স্ট্র্যাটিজির সঙ্গে সঙ্গে, আগামীদিনের যে লড়াই আমাদের, সেই লড়াইটা যেন একভাবে একসাথে লড়তে পারি। 

এবিপি আনন্দ: দিল্লিতে কার্যত দুর্গ বানিয়ে ফেলা হয়েছে। যন্তর মন্তর তো দূর হস্ত, তাকে ঘিরে যেভাবে একটা ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে, সাধারণ মানুষকেও পরিচয় পত্র দেখিয়ে যেতে হচ্ছে।  এই পরিস্থিতিতে আপনারা কতটা ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ? কালকে বাসের ছবিটা যেটা দেখা যাচ্ছিল, একটা ঐক্যবদ্ধ বিরোধী জোটের ছবি। এবং পাশাপাশি ছাত্র সংগঠনগুলি। একজোট হওয়ার কি সম্ভবনা তৈরি হয়েছে ?

এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ:  একদম, তৈরি হয়েছে। আমরা একত্রিত হয়েই লড়ব , লড়াইটা। সেটা আমরা জানি, এবং সেটা আমরা কীকরে ওয়র্কআউট করা হবে, সেটা দেখা হচ্ছে। আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করা যাবে, সেটারও স্ট্র্যাটিজি করা হচ্ছে। 

এবিপি আনন্দ: সেই বন্ধুর তালিকায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ থাকবে ? (মমতা তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন)

এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ:  তৃণমূল ছাত্র পরিষদ কোথায়, আমি জানি না ( হেসে বললেন)। প্রোটেস্টে তো আমরা তাঁদের দেখিনি দিল্লির বুকে।যদি তাঁরা সত্যিই বিজেপি-আরএসএস বিরুদ্ধে, তাঁরা নিশ্চয় লড়াই করবে। বাংলার মত লড়াই করবে। দেখা যাক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *