ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী ও সৌমিত্র রায়, কলকাতা: বরানগরের ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা চেয়ে হুমকির অভিযোগ। ব্যবসায়ীর অফিসে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। বরাগনগর থানায় ইমেল করে অভিযোগ জানালেন ব্যবসায়ী। 

আরও পড়ুন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহ এই ষড়যন্ত্রের মাথায় ছিলেন, তদন্তের আওতায় আনা হোক’, জ্ঞানেশ কুমারকাণ্ডে নিশানা রাহুলের

এবার দুর্গাপুজোর চাঁদা নিয়ে জুলুমের অভিযোগ তুললেন বরানগরের এক ব্যবসায়ী

তোলাবাজি বন্ধ করতে বারবার বার্তা দিচ্ছেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি। তোলাবাজি রুখতে চালু হয়েছে হেল্পলাইন। কিন্তু, তার মধ্য়েও সামনে আসছে টাকা চেয়ে জুলুমের অভিযোগ। এবার দুর্গাপুজোর চাঁদা নিয়ে জুলুমের অভিযোগ তুললেন বরানগরের এক ব্যবসায়ী। এনিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থও হয়েছেন ইন্টিরিয়র ডেকরেটর সুদীপ্ত ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, দিন দুয়েক আগে তাঁর বাড়িতে আসেন কয়েকজন যুবক। নিজেদের বরানগর সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি সম্মিলিত যুবকবৃন্দ-র প্রতিনিধি বলে পরিচয় দেন। টাকার জায়গা খালি রেখে চাঁদার বিল দেওয়া হয় বাড়িতে। এরপর ব্যবসায়ীর বাড়ি সংলগ্ন অফিসে এসে মোটা টাকা চাঁদা দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। 

“দাদা তোমার নাম ভাঙিয়ে বলছে”

ওই ব্যবসায়ী বলেন,’ আমি বললাম কী ব্যাপার, বলল চাঁদা নিতে এসেছি। ওমা দেখি, দরজা ধাক্কা দিয়ে খান চব্বিশেক লোক। চিৎকার চেঁচামেচি, হুমকি। আমি বলেছি রাতের অন্ধকারে দশটায় কেন ? ওই মহিলাটি যিনি আছেন, তিনি বিজেপি করেন, বাকিরা ৪ তারিখের পরের বিজেপি। এরা সবাই ছিল তৃণমূলে।’ অভিযোগকারী ব্যবসায়ী দাবি করেছেন, ‘এই নিয়ে বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের দ্বারস্থ হন তিনি। অভিযোগকারী ব্যবসায়ী সুদীপ্ত ঘোষ বলেন, ‘সজল ঘোষকে বলেছিলাম। সজল ঘোষ বলল থানায় কমপ্লেন করতে।’  ব্যবসায়ীর কথায়,’আমি সজলদাকে মেসেজগুলি পাঠালাম। সজলদা বলল, না আমি এসব কথা বলতে বলিনি। ..আমি বললাম দাদা তোমার নাম ভাঙিয়ে বলছে আমাকে, বলছে না না, তুমি তোমার মতো থানায় কমপ্লেন করে দাও।’

 “আমি তাঁকে বলেছি, তুমি পুলিশে কথা বলো..কিন্তু আমার মনে হয়, সবটা ঠিক বলছে না” , কী প্রতিক্রিয়া সজলের ?

বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, ‘ও আমাকে জানিয়েছে, আমি তাঁকে বলেছি, তুমি পুলিশে কথা বলো। পুলিশ তদন্ত করবে, যদি তদন্ত করে মনে হয়, ..পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু আমার মনে হয়, সবটা ঠিক বলছে না।’ এরপর মোবাইল দেখিয়ে বলেন, এই ভিডিওগুলি সব ওর পাঠানো। কোথাও আমি মারপিট দেখিনি, কোথাও আমি থ্রেট দেখিনি। এগুলি দেখিনি।’ বরানগর থানার তরফে জানানো হয়েছে, ইমেল মারফত তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। অভিযোগকারীকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে বরানগর সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি সন্মিলিত যুবকবৃন্দ-র তরফে চাঁদার জুলুমের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। 

 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *