
আজ ষষ্ঠী। দেবীর বোধন। ঘট স্নান করিয়ে দুর্গাপুজোর সূচনা হল বেলুড় মঠে।

আজ রীতি মেনে ষষ্ঠীর কল্পারম্ভ অনুষ্ঠান হয়। দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস।

বোধনের পর অধিবাস৷ গণেশ, কার্তিক, লক্ষ্মী, সরস্বতী–সপরিবারে আসবেন মা দুর্গা৷

সকাল থেকেই দেবীর আবাহনের প্রস্তুতি বেলুড় মঠে। মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবীকে বরণ।

সকাল থেকেই ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন বেলুড় মঠের দেবী দর্শনে।

ঘুমন্ত দেবীকে জাগ্রত করার জন্য স্বয়ং ব্রহ্মাকে দেবীস্তুতি করতে হয়েছিল। আজও দেবীপূজার প্রাক্কালে তাঁকে জাগ্রত করা হয়৷ বিল্ববৃক্ষে তাঁকে উদবোধিত করার যে অনুষ্ঠান তাই বোধন৷

শৈলশিখর কৈলাস থেকে তিনি আসছেন৷ তাই তাঁকে যথাযথ আমন্ত্রণ করে এই দিনের অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়৷

বোধন কথাটি মূলত চলিত। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ব্যাপী বিরাট কর্মকাণ্ডের সূচনাকারী পুজো বলে ‘বোধন’ হিসেবে পরিচিত। মূল শাস্ত্রীয় শব্দটি হল ‘কল্পারম্ভ’।

শাস্ত্রে বলছে, বোধন ঘরে বেদির উপর টব-সহ ছোট বেলগাছ বসানো হয়। এরপর সেই বেলগাছের সামনে পঞ্চপল্লব ও ডাব দিয়ে ঘট স্থাপন করা হয়। পঞ্চপল্লব অর্থাৎ- আম, অশ্বত্থ, বট, পাকুড় এবং যজ্ঞডুমুর। ওই বেলগাছকেই দেবী কল্পনায় আরাধনা করা হয়।

অশুভ শক্তি দূরের জন্য ঘটের চারপাশে তীরকাঠিতে সুতা জড়িয়ে আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া শুর হয়। এ ভাবেই শেষ হয় মহাষষ্ঠীর আচার।
Published at : 16 Oct 2026 08:59 AM (IST)