কলকাতা: তোলাবাজির টাকা জমা পড়েছে যুব তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে! তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অ্যাকাউন্টে ছিল ৭৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৩৩ কোটি ট্রান্সফার হয় লিপস অ্যান্ড বাউন্সে। তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এমনই চাঞ্চল্য়কর দাবি জানায় পুলিশ। এবার দেবরাজ চক্রবর্তী মামলায় চার্জগঠন বারাসাত আদালতে।

আরও পড়ুন, রাজ্যে গৌতম আদানি, পুজো দিলেন কালীঘাটে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে আজ?

দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কী কী ধারায় চার্জগঠন ?

বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট অপরাধ, প্রোমোটারদের কাছ থেকে তোলাবাজি-সহ একাধিক ধারায় চার্জগঠন করা হয়েছে। নতুন ফৌজদারি আইনে সিন্ডিকেট ক্রাইম সংক্রান্ত যে বিধান রয়েছে, সেই ধারায় দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হল এবার। সূত্র মারফৎ খবর, এই প্রথম এই ধারায় কোনও মামলায় চার্জগঠন। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই তদন্তকারী সংস্থা চার্জশিট জমা দেয়। আগামী সপ্তাহ থেকে মামলার বিচারপর্বের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। 

যিনি আবার অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ডান হাত হিসেবেও পরিচিত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর এবং বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। যিনি আবার অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ডান হাত হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। এবার সেই দেবরাজ চক্রবর্তীকে নিয়ে পুলিশের চার্জশিটে আরও চাঞ্চল্য়কর দাবি করা হল। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অ্য়াকাউন্টে ৭৭ কোটি টাকা ছিল। সেই ৭৭ কোটির মধ্য়ে সাড়ে ১০ কোটি দেবরাজ চক্রবর্তীরও ছিল।

‘লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডস’

এরমধ্য়ে ৩৩ কোটি টাকা ট্রান্সফার করা হয় ‘লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডস’-এ। আর লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডসের CEO যে তিনি, সে কথা কয়েক বছর আগে নিজেই জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানেই শেষ নয়, ২০২১ থেকে ২০২৬, মাত্র এই কয়েক বছরে দেবরাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী ও প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সী ২৫টি নতুন সম্পত্তি বানিয়েছিলেন।যার আনুমানিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা।

” একটা স্কুলে যাওয়া বাচ্চা ছেলেও জানে, এই টাকা কোথায় গিয়েছিল”, নিশানা শমীকের

বিজেপির রাজ্য় সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য বলেন,এটা তো পশ্চিমবঙ্গের প্রত্য়েকটা মানুষ জানে।  একটা স্কুলে যাওয়া বাচ্চা ছেলেও জানে, এই টাকা কোথায় গিয়েছিল। তিনি ( দেবরাজ চক্রবর্তী ) তাঁর ঘনিষ্ঠ কর্মীদের কাছে বলেছেন একথা। প্রথমবার যখন তাঁকে (দেবরাজ চক্রবর্তী) ডাকা হয়েছিল, ভয় পেয়ে গিয়ে। ফিরে এসে (দেবরাজ চক্রবর্তী) একজন কাউন্সিলরকে বলেছিলেন, আমি তো কিছু করিনি, যা করার দাদার কথায় করেছি। ‘লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডস’ তৈরি করা হয়েছিল তোলাবাজির টাকা রাখার জন্য়।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *