উত্তর ২৪ পরগনা: ঠাকুরনগরে গিয়ে পূর্বতন সরকারকে জোর নিশানা এবং সেই সঙ্গে মোদিজির প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন, ‘অনেক সরকার এসেছে, গিয়েছে, কিন্তু মতুয়াদের নিয়ে কেউ ভাবেনি। মোদিজি কথা দিয়ে কথা রেখেছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলকে না সরালে গ্রেটার বাংলাদেশ হয়ে যেত।’

আরও পড়ুন, পালাবদলের পর টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় প্রথম নির্বাচন, কালকের পর আজও চলছে ভোটগ্রহণ, খতিয়ে দেখতে এলেন মিঠুন-রূপারা

‘অনেক সরকার এসেছে, গিয়েছে, কিন্তু মতুয়াদের নিয়ে কেউ ভাবেনি ..মোদিজি কথা দিয়ে কথা রেখেছেন’

এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আপনাদের জন্যই এই সরকার তৈরি হয়েছে। এর কৃতিত্ব আপনাদের যদি আমরা না দিই, তাহলে ভুল করব। ২০১৯। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, নরেন্দ্র মোদিজি এখানে এসে, বলেছিলেন, আমাকে আপনারা, সমর্থন করুন এবং আমি আপনাদেরকে ১৯৪৫ সাল থেকে, ঠাকুর মহোদয়ের যে লড়াই, স্বনাগরিকত্বের যে লড়াই, সেই লড়াইয়ের মর্যাদা দেব। লোকসভায় আইন আনবো। তাই আপনারা সেদিন, দুই হাত ভরে ভোট দিয়েছিলেন। আমরা রানাঘাট বনগাঁ সহ এই রাজ্যে ১৮ টি লোকসভা কেন্দ্রে, জয়যুক্ত হয়ে,বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি কথা রেখেছেন। এরপর পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার গঠন , সংবিধান, অনেক সরকার এসেছে গিয়েছে, কেউ তার কথা রাখেনি। কিন্তু মোদিজি, ১৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরে, লোকসভা এবং রাজ্য সভায়, ২০২৪ সালে সিএএ আইন পাস হয়।’

‘পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলকে না সরালে গ্রেটার বাংলাদেশ হয়ে যেত..’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম থেকেই সিএএ-র বিরোধিতা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়… এই সরকার আপনাদের যা বলবে, সংবিধান মেনে তা পূরণ করবে। মতুয়াদের আর্শীবাদেই আমাদের সরকার তৈরি হয়েছে,.. ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করে সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। সিএএ সার্টিফিকেট পাওয়ার পরই ভোটার তালিকায় নাম উঠবে। অধিকার আদায় করে নেবেন আপনারাই.. এটাই সরকার আশা রাখে। গোঁসাই সমাজের কল্যাণে যে কোনও স্কিমের উন্নয়ন করবে সরকার। আগামী বাজেটে ঠাকুরনগর পুরসভা হিসাবে ঘোষিত হবে। বারুণী মেলা নিয়ে কোর্টে লড়াই হবে না। ঠাকুরবাড়িকে বিভাজিত করার যে রাজনীতি হবে না, বন্ধ হবে। ঠাকুরবাড়িকে বিভাজিত করার যে রাজনীতি করেছে মমতা, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বারুণী মেলায় বিশেষ সহযোগিতা করা হবে। মুখে নয়, ভাষণে নয়, কাজে প্রমাণ করেছেন মোদিজি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *