কলকাতা : সরিষায় তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ কোটিরও বেশি টাকা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে জেরা করে এই টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তৃণমূলের এই পার্টি অফিসে বসতেন ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’ অর্থাৎ গণতান্ত্রিক তৃণমূলের বিধায়ক শামিম আহমেদ। তিনি পশ্চিম মগরাহাটের বিধায়ক। সরিষায় তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকার হদিশ পাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘দক্ষিণ ২৪ পরগনা… এরা কারা সবাই জানে। এরা… এই টাকাগুলো… এত টাকা ওখানে তুলেছে… আনলিমিটেড টাকা। সব টাকা তো মনেই নেই কোথায় কী রেখে দিয়েছিল। থাকার কথা না। এদের কাছে এগুলো নস্যি। ডেলি রোজগার ছিল এদের। এটা এদের ডেলি রোজগার ছিল বা এদের যিনি মাথা, কিংপিন, তাঁর এক ঘণ্টার রোজগার বলা যেতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে রাজস্ব সাইফন হয়েছে। আমি তো বারবার বীরভূমের উদাহরণ দিতাম। ভারতের বাইরেও টাকা পাঠিয়েছে। এখানেও বেশ কিছু কোম্পানিতে টাকা খাটছে। আমরা খবর পেয়েছি। পুলিশ কাজ করছে।’
অটো ইউনিয়নের দখল বিজেপির ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফলতা, দফায় দফায় বোমাবাজি
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জোকায় সরকারি জমির মাটি চুরির মামলায় হেফাজতে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। এই সুমিতকে জেরা করেই বান্ডিল বান্ডিল নোটের হদিশ পাওয়া গিয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিসে, দাবি পুলিশের। সরিষায় তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে কোটি টাকার হদিশ পেয়েছে পুলিশ। নগদ নোটে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। তৃণমূলের পার্টি অফিসে নগদে কেন এত টাকা? কোথা থেকে এল এই টাকা? কী কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল? এইসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রচুর রহস্য। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আক্ষরিক অর্থেই টাকা যেন খোলামকুচি। তৃণমূলের পার্টি অফিসে থরে থরে সাজানো রয়েছে টাকার বান্ডিল। গত সপ্তাহে ডায়মন্ড হারবারে ৩০০ কোটির মাটি চুরি মামলায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে হেফাজতে নেয় ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। পুলিশের দাবি, এরপর তাঁকে জেরা করে খোঁজ পাওয়া গেল তৃণমূলের পার্টি অফিসে লুকিয়ে রাখা এই নোটের বান্ডিল।