CM Suvendu Adhikari: বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে তৃণমূল। একদিকে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। অর্থাৎ ঋতব্রত শিবির। মমতা তৃণমূল শুরু থেকেই অভিযোগ করে এসেছে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস আদতে বিজেপির বি টিম। এই আবহে দশমীর দিন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এতেই প্রশ্ন উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত কি তাহলে ঋতব্রত শিবিরের দিকেই? তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য অস্ত্র তুলে দিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। এর মধ্যে আবার কৌশলী মন্তব্য করেছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক মদন মিত্র। সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ঘিরে শোরগোল পড়ে গেছে। 

এদিকে, ঘাসের ওপর জোড়াফুল প্রতীক কাদের? মমতা তৃণমূল কংগ্রেস নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের? এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। শুনানিও চলছে। আর এরই মধ্যে মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার মতো মারাত্মক অভিযোগ তুলল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে তিনমাসের মধ্যে ঘাসফুল প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের নিষ্পত্তি করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। পাশাপাশি, চার সপ্তাহের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় – দু’পক্ষকেই সদস্যদের হলফনামা ও অতিরিক্ত নথি নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলা হল।  



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *