কলকাতা: বাবা হলেন, সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায় (Anupan Roy), মা হলেন সঙ্গীতশিল্পী প্রস্মিতা পাল (Prashmita Paul)। বর্ষণমুখর দিনে, অনুপম-প্রস্মিতার কোল আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সেই খবর শেয়ার করে নিয়েছেন অনুপম। সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবর আড়ালেই রেখেছিলেন প্রস্মিতা। তারকাদম্পতি অবশ্য সবসময়েই ব্যক্তিগত জীবন আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেছেন। ২০২৪ সালে, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ে করেছিলেন অনুপম প্রস্মিতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় অল্পবিস্তর ছবি শেয়ার করলেও, কাজের বাইরে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে খুব একটা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতে পছন্দ করেন না অনুপম বা প্রশ্মিতা কেউই। আজ, জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করার খবর, নিজেরাই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিয়েছেন তাঁরা। নতুন বাবা মা ভাসছেন শুভেচ্ছাবার্তাতে। 

বাবা হলেন অনুপম, মা হলেন প্রশ্মিতা

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপম এবং প্রশ্মিতাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কোয়েল মল্লিক লিখেছেন, ‘শুভেচ্ছা, আমাদের ক্লাবে স্বাগত।’ মিমি চক্রবর্তী থেকে শুরু করে সৌরসেনী মৈত্র… প্রত্যেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইশা সাহা লিখেছেন, ‘ওহ তেরি.. কনগ্রাচুলেশন’। টলিউডের বাইরেও অনেকে অনুপম ও প্রশ্মিতাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন থেকেই পেশাগত কারণে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত থাকলেও, অনুপম আর প্রশ্মিতার প্রেম খুব অল্প সময়েরই। পেশাগত কারণেই কাছাকাছি আসেন তাঁরা। তারপরেই প্রেম এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত। ২০২৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অনুপম প্রশ্মিতা। সেই বিয়ের খবরই কার্যত হঠাৎই প্রকাশ্যে এসেছিল। আর পুত্রসন্তান আসার খবর দিয়েও বেশ চমকেই দিলেন অনুপম এবং প্রশ্মিতা। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপম যে পোস্ট শেয়ার করে নিয়েছেন, তাতে লেখা রয়েছে, ‘আমাদের জীবনে পুত্রসন্তান এসেছে, আজই। এই খবর সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমরা আপ্লুত’। থিম মেলে গোটা পোস্টারে ব্যবহার করা হয়েছে নীল রঙ। সঙ্গীতশিল্পী জানিয়েছেন, সদ্যোজাত এবং মা সুস্থই রয়েছেন। গোটা শহর যখন বৃষ্টিতে নাজেহাল, তখন অনুপম প্রশ্মিতার কোল আলো করে এল পুত্রসন্তান। আনন্দে ভাসছেন সঙ্গীতশিল্পী। এবিপি লাইভ বাংলার তরফ থেকে অনুপম ও প্রশ্মিতাকে শুভেচ্ছা।

 

আরও পড়ুন: Actress Death: শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই, মাত্র ২৭ বছরেই প্রয়াত হলেন প্রতিভাবান অভিনেত্রী

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *