অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: অসম-বাংলা সীমান্তে পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ভুটানগামী ট্যুরিস্ট বাস থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। গামছায় মোড়া অবস্থায় উদ্ধার হয় পাঁচশো টাকার একাধিক বান্ডিল। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকা। তবে এখনও পর্যন্ত টাকার কোনও দাবিদার পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন, “এত সাহস ! আর্টস হস্টেলের দেওয়ালে কিষেণজিকে রেড স্যালুট দেবেন”, যাদবপুর নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

অসম-বাংলা সীমান্তে (Border Area) পুলিশের নাকা চেকিংয়ে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। জানা গিয়েছে, জয়গাঁও থেকে অসম হয়ে ভুটানের গেলেফুগামী একটি টুরিস্ট বাসে বারোবিশা ভাঙাপাখড়ি এলাকায় নাকা চেকিং চালাচ্ছিল কুমারগ্রাম থানার পুলিশ (Kumar Gram Police Staion)।সেই সময় পুলিশের নজরে আসে গামছায় মোড়া কিছু সামগ্রী। সন্দেহ হওয়ায় তা খুলতেই চোখে পড়ে একের পর এক ৫০০ টাকার বান্ডিল।এরপরই বাসটি আটকে শুরু হয় টাকা গোনার কাজ। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বাসের মধ্যেই চলছে উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা গোনার প্রক্রিয়া।

পুলিশ সূত্রে দাবি, মোট উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকা। যদিও এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কার, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া টাকার কোনও দাবিদারও এখনও সামনে আসেননি বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনায় বাসের চালক এবং এক কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে কুমারগ্রাম থানার পুলিশ। 

তবে এই ঘটনা এই প্রথমবার নয়, বিশেষ করে সীমান্ত অঞ্চলে অধিক পরিমাণে নাকা চেকিং করা হয়। তার কারণ যাতে কোনওভাবেই কোনও অপরাধমূলক কাজ না হয়। কোনও নিষিদ্ধ জিনিস পাচার না হয়। সেই জন্য সর্বদাই পুলিশের নজর থাকে, সীমান্তের সব কিছুর উপরেই। আপাত দৃষ্টিতে যা অতি সাধারণ, হয়তো কোনও সবজির গাড়ি, কিংবা ফলের গাড়ি, পরে সেই গাড়ি থেকেই নিষিদ্ধ দ্রব্য পাওয়ার উদাহরণ রয়েছে ভুরিভুরি। আর এদিনও পুলিশের নজর এড়ায়নি। বরবরের মতোই এদিনও ভুটানগামী বাসে তল্লাশি চালাতেই বড়সড় পর্দাঁফাস।

কোথা থেকে এল এই বিপুল নগদ টাকা? কার কাছেই বা যাচ্ছিল টাকা? কেনই বা গামছায় মুড়ে বাসে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল?এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তদন্তে তারই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *